.tdi_2_c53.td-a-rec-img{text-align:left}.tdi_2_c53.td-a-rec-img img{margin:0 auto 0 0} (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার পেপারবুক সুপ্রিম কোর্টে এসে পৌঁছেছে। বিজি প্রেস থেকে তা রোববার সুপ্রিম কোর্টে আনা হয় বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান। ১৬ বছর আগে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার মামলায় বিচারিক আদালতে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের আবেদন) শুনানির জন্য রয়েছে। এ শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করতে হয়। ডেথ রেফারেন্স, আপিল, জেল আপিল, মামলার রায় ও যাবতীয় নথি পাঠানো হয় সরকারি ছাপাখানা বিজি প্রেসে। সেখানেই পেপারবুকটি প্রস্তুত করা হয়। খবর বিডিনিউজের। ছাপা শেষে পেপারবুক সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছালে সংশ্লিষ্ট শাখা সেটি যাচাই-বাছাই (স্ক্রুটিনি) করে চূড়ান্ত করে। এরপর প্রধান বিচারপতি তা শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন। জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এখন দ্রুত শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি পেপারবুক শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলে কার্যতালিকায় আসার পর তা দ্রুত শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে মেনশন করব। তার আগে প্রধান বিচারপতি যাতে অবিলম্বে বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন, এ ব্যপারে চেষ্টা করব। বেঞ্চ নির্ধারণ হলে এই মহামারী পরিস্থিতির মধ্যে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না- জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, বেঞ্চে পাঠানোর পর এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। ২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা করা হয়। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এই মামলায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেয়। রায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, খালেদার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এছাড়া ১১ পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- লুৎফুজ্জামান বাবর, আব্দুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হুজির সাবেক আমির ও ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টির আহ্বায়ক মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, কাশ্মীরি জঙ্গি আব্দুল মাজেদ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. উজ্জল, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম, হানিফ পরিবহনের মালিক মোহাম্মদ হানিফ।.tdi_3_9c4.td-a-rec-img{text-align:left}.tdi_3_9c4.td-a-rec-img img{margin:0 auto 0 0} (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.