কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

কারাগারে করোনা প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট

কালের কণ্ঠ প্রকাশিত: ০২ জুন ২০২০, ১৭:৪১

কারাবন্দি ও রক্ষীদের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কারাগারে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে এ তথ্য জানাতে মৌখিকভাবে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

সারা দেশে ৮৯ হাজার কারাবন্দির স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশনা চেয়ে করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানিকালে এ তথ্য জানতে চান আদালত। আগামী ১৫ জুন রিট আবেদনটির ওপর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির গত ১৭ মে রিট আবেদনটি দাখিল করেন। আজ তিনি নিজেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

রিট আবেদনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের আলোকে কারাবন্দি ও কারারক্ষীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কি প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা আদালতকে জানানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের আলোকে দেশের সকল কারাগারে কারাবন্দি ও কারারক্ষীদের স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কারা কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ জানতে চেয়ে গত ১৪ মে সংশ্লিষ্টদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। স্বরাষ্ট্র ও আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও কারা মহাপরিদর্শক(আইজি প্রিজন্স) বরাবর এ নোটিশ পাঠানো হয়। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশের জবাব জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোনো জবাব না দেওয়ায় রিট আবেদন দাখিল করা হয়।

রিট আবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে, দেশের ৬৮টি কারাগারে ৪১২৪৪ জন বন্দির থাকার কথা। কিন্তু সেখানে আছে ৮৯ হাজারের বেশি বন্দি অবস্থান করছে। কারাভ্যন্তরের এই অবস্থায় বন্দিদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বস্তুত অসম্ভব। ইতিমধ্যে ২৩ জন কারারক্ষী এবং ২ জন বন্দির শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত ১২ মে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে ১ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি এক গবেষণায় প্রতীয়মান হয় যে, কারাগারের সংকীর্ণ জায়গা সংক্রামক ব্যাধির উর্বর ক্ষেত্র। অধিকন্তু কারাবন্দিদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ নেই। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা কারাবন্দিদের অবস্থা খুবই নাজুক। দেশের কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি রয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা এবং আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী তাদের চলতে হয়। এই প্রেক্ষাপটে করাবন্দিদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের উপর বর্তায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও