মব সন্ত্রাসে দেড় বছরে নিহত ২৮০

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:০৪

কোনো ঘটনার পূর্বাপর না ভেবে এক শ্রেণির জনতা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে করণীয় কী। কখনো না বুঝেই ছুটছে ঘটনার পেছনে। আইন তুলে নিচ্ছে নিজেদের হাতে। যার ফলাফল হত্যা, হেনস্তা কিংবা লাঞ্ছনা। সংক্ষেপে যাকে বলা হচ্ছে ‘মব সন্ত্রাস’। অতীতে থাকলেও সবশেষ দেড় বছরে মব সন্ত্রাসে নিহত হওয়ার ঘটনা বেড়েছে কয়েক গুণ।


আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ মাসে মব সন্ত্রাসে নিহত হয়েছে ২৮০ জন। মব সন্ত্রাস ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বক্তব্যও দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা।


কখনো ‘উচ্ছৃঙ্খল জনতা’, কখনো ‘তৌহিদি জনতা’র নামে সংঘটিত হচ্ছে এ অপরাধ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ব্যক্তিগত কারণে ঘটেছে এসব ঘটনা। সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের মতো গণমাধ্যম, ছায়ানটের মতো প্রতিষ্ঠানও আক্রান্ত হয়েছে। এর হাত থেকে রক্ষা পাননি বাউল, নিরীহ মানুষ, শারীরিক প্রতিবন্ধীও।


মবের পরিসংখ্যান


আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মব সহিংসতায় অন্তত ১৮৪ জন নিহত হন। এর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৭৮ জন। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে নিহত হন ৩২ জন।


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। দায়িত্বের প্রথম পাঁচ মাসে মবের শিকার হয়ে নিহত হন ৯৬ জন। সরকারের ১৭ মাসে (২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত) মবের শিকার হয়ে অকাল মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে ২৮০ জনকে। ২০২৪ সালের আগস্টে মবের শিকার হয়ে নিহত হন ২১ জন, সেপ্টেম্বরে ২৮ জন, অক্টোবরে ১৯ জন, নভেম্বরে ১৪ জন এবং ডিসেম্বরে নিহতের সংখ্যা ছিল ১৪ জন।


২০২৪ সালের প্রথম ১১ মাসে মব সন্ত্রাসে নিহত হন ১১৪ জন, ২০২৩ সালের প্রথম ১১ মাসে ৪৯ জন, ২০২২ সালের প্রথম ১১ মাসে ৩১ জন ও ২০২১ সালের প্রথম ১১ মাসে মব সন্ত্রাসে নিহত হন ২৮ জন।


২০২৪ সালের চেয়ে ২০২৫ সালে মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে বেশি মারা যান ৭০ জন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও