দেশের করোনা পরিস্থিতি বোঝার জন্য পর্যাপ্ত তথ্য ও বিশ্লেষণ পাওয়া যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে খণ্ডিত তথ্য দেওয়া হচ্ছে। নীতিনির্ধারণ ও কর্মসূচি পরিকল্পনায় প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। জনস্বাস্থ্যবিদ ও অর্থনীতির গবেষকেরা বলছেন, দ্রুত এই পরিস্থিতির অবসান হওয়া দরকার। কোন শ্রেণি–পেশার মানুষ করোনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন, কাদের মধ্যে সংক্রমণের হার কম, কারা মারা যাচ্ছেন, আক্রান্তদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে উঠেছে কি না, কাদের ভেতর সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি বেশি প্রতিপালিত হচ্ছে—এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর অজানা। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা জানতে ভাইরাসটির জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের কাজটিও এখনো হয়নি। এসব ব্যাপারে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যবিদ ও গবেষকেরাও অনেকটা অন্ধকারে আছেন। রোগের প্রাদুর্ভাব বিষয়ে সরকারি তথ্যের প্রধান উৎস রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। নিপাহ্, অ্যানথ্রাক্স, চিকুনগুনিয়া, বার্ড ফ্লু—এসব রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় সরকারি এই প্রতিষ্ঠান তথ্য দিয়েছে, দেশবাসীর সামনে বিশ্লেষণ হাজির করেছে। গত বছর ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের সময়ও আইইডিসিআর তথ্যের পাশাপাশি কিছু বিশ্লেষণ দিয়েছে। কিন্তু করোনার এই মহামারি পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে বড় ধরনের কোনো বিশ্লেষণ বা পরিস্থিতির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। বর্তমানে রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষার সমন্বয়ের দায়িত্বেও আইইডিসিআর নেই। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যাখ্যার বিষয়টি অস্পষ্ট থেকে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.