ছবি সংগৃহীত
ত্বকের রোগ শ্বেতী
প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০১৩, ০৪:৫৮
আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০১৩, ০৪:৫৮
আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০১৩, ০৪:৫৮
শ্বেতী - বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভয়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে আঁতকে ওঠেন অনেকেই। অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অপমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট!
শ্বেতী কী :
ত্বকের মধ্যকার মেলানোসাইট কোষে থাকে মেলানিন, যা ত্বকের স্বাভাবিক রঙে ভারসাম্য রক্ষা করে। মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্যের অভাব ঘটলেই দেখা দেয় শ্বেতী। শ্বেতী রোগ বংশগতভাবেও হয়। প্রতি একশোজন শ্বেতী রোগীর মধ্যে তিরিশজনের ক্ষেত্রে শ্বেতী আসে বংশগত ধারায়, মাতৃকুল বা পিতৃকুলের কারো না কারো থেকে জিনের প্রভাবে। বাকি ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে শ্বেতী সাদা দাগ ছড়াতে থাকে নিজস্ব কারণে, যার মূলে রয়েছে মেলানিনের কারসাজি! বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ শ্বেতী রোগে আক্রান্ত। প্রয়াত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনও এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাঁর প্রয়ান দিবস ২৬ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় 'বিশ্ব ভিটিলিগো (Vitiligo)দিবস'।
শরীরের কোন অংশে হয় :
মুখমণ্ডল, কনুই, বক্ষদেশ এসব জায়গাতেই প্রথমে শ্বেতী হতে শুরু করে। কখনো কখনো শ্বেতী চোখের পাশ দিয়ে, নাকের দুপাশে বা ঠোঁটের কোণ বা উপর দিয়েও শুরু হয়। কিছু ক্ষেত্রে শ্বেতী খুব একটা ছড়ায় না, একটা বিশেষ জায়গাতেই থাকে। আবার কখনো এমনভাবে মুখে, বুকে, হাতে, পায়ে ছড়িয়ে পড়ে যে বোঝাই না এক সময় গায়ের রং আসলে কী ছিল! দ্বিতীয় ধরনের শ্বেতীর দাগই মানুষকে শ্রীহীন করে তোলে।কোন বয়সে হয় :
সদ্যোজাত শিশুর শ্বেতী একেবারেই ধরা পড়ে না। ৫০ শতাংশ শ্বেতী ধরা পড়ে বয়স বছর দশেক হলে। বাকিদের শ্বেতী হয় বয়স দশ বছর পার হয়ে জীবনের যেকোনো সময়ে।চিকিত্সা :
ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী মলম লাগানো বা ওষুধ সেবনের পাশাপাশি সকালবেলার রোদ লাগাতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে মলম আর ওষুধে কাজ হতে প্রায় দু বছরও লাগতে পারে। ওষুধপর্বে কাজ না হলে এর পরে রয়েছে অপারেশন পর্ব। শ্বেতী চিকিত্সায় অপারেশনের নাম পাঞ্চ গ্রাফটিং। এ চিকিত্সা স্থিতিশীল শ্বেতী সারাতে করা হয়। অর্থাত্ যে শ্বেতী বছর দুয়েক মোটামুটি একই জায়গায় অবস্থান করে সেটাই স্থিতিশীল শ্বেতী।লক্ষ্য করুন :
- যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিত্সা করা যায় তত ভালো। - শরীরের যেকোনো জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্সকের সাথে যোগাযোগ করুন। - ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড - এসব যাদের আছে তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে।
১ ঘণ্টা, ৪৪ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৪৫ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ২১ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ২২ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৪৪ মিনিট আগে
৩ ঘণ্টা, ৩৭ মিনিট আগে
৩ ঘণ্টা, ৫৫ মিনিট আগে
১০ ঘণ্টা, ৪২ মিনিট আগে
১০ ঘণ্টা, ৪২ মিনিট আগে
১১ ঘণ্টা, ৬ মিনিট আগে
১১ ঘণ্টা, ৫১ মিনিট আগে
১২ ঘণ্টা, ১ মিনিট আগে
১২ ঘণ্টা, ৪৫ মিনিট আগে
১২ ঘণ্টা, ৪৬ মিনিট আগে