ছবি সংগৃহীত

ওজন বাড়ানো ছাড়াও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই যে ৩টি মারাত্মক ক্ষতি করছে আপনার!

প্রিয় লাইফ
লেখক
প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০২:৪৯
আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০২:৪৯

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে কে না ভালোবাসেন! ছোট বড় সকলেরই পছন্দের খাবারের তালিকায় ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের নাম রয়েছে। বাইরে কোথাও খেতে গেলে ফাস্ট ফুড খাবার সময় ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের কথাই সবার প্রথমে মনে পড়ে। এমনকি বিকেলের আড্ডায় বন্ধু বান্ধবের সাথে বসে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাওয়া হয় অনেকেরই। আজকাল বাজারে পাওয়া যায় প্যাকেটজাত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই একদম হাতের নাগালে। কিন্তু এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই স্বাস্থ্যের জন্য বেশ খারাপ একটি খাবার। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমাদের শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। আমাদের অজান্তেই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ক্ষতি করে চলেছে আমাদের দেহের। আসুন জেনে নেই কি কারণে ছাড়তে হবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের স্বাদের মায়া সবাইকে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়

তেলে ভাজা যেকোনো খাবারই নিঃসন্দেহে সুস্বাদু। কিন্তু তেলে ভাজা এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবারের স্যাচুরেটেড ফ্যাট হৃদরোগ ঝুঁকি বাড়ায়। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবারের স্যাচুরেটেড ফ্যাট রক্ত সঞ্চালনকারী শিরা উপশিরায় জমা হয়ে রক্ত সঞ্চালনে বাঁধা প্রদান করে। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবারের স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি মাত্রায় খাওয়া হলে তা রক্তে প্লেটেলেটের পরিমাণ বাড়ায়। যা শিরা উপশিরায় আটকে যেয়ে অক্সিজেন এবং পুষ্টি সঞ্চালনেও বাঁধা প্রদান করে। এতে করে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

ফ্যাট ও ডায়াবেটিস বাড়ায় অতি দ্রুত

নিরীহ গোছের সবজি আলু আমাদের দেহের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর না হলেও আলুর তৈরি এই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আলু একটি শর্করা জাতীয় খাবার। এই আলু আমাদের দেহে প্রবেশ করে চিনিতে পরিবর্তিত হয়ে যায়। শর্করা জাতীয় খাবার দেহের ফ্যাট বাড়ানোতে কাজ করে। এছাড়া আলু আমাদের রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে ডায়াবেটিসের আশংকা বাড়ায়।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই হতে পারে ক্যান্সারের কারণ

সাধারণ তেলে ভাজা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ে থাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যান্স ফ্যাটি এসিড যা ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ায়। এই ধরণের ফ্যাট দেহে ‘কারসিনোজেন্সের’ মত কাজ করে। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় অ্যাক্রিলামাইড। অ্যাক্রিলামাইড ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ী একটি উপাদান। সুতরাং ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে চাইলে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই থেকে দূরে থাকাই ভালো।