ছবি সংগৃহীত
অবহেলিত চালতার অসাধারণ গুণ
আপডেট: ১৪ মে ২০১৩, ০৬:১৬
চালতা গাছ মাঝারি আকারের চিরহরিত্ বৃক্ষ জাতীয় গাছ। এ গাছের আদি নিবাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র চালতা গাছ জন্মে। চালতা গাছ ভারত, শ্রীলংকা, চীন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া, ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি দেশেও প্রচুর জন্মে। চালতা গাছ দেখতে বেশ সুন্দর। উচ্চতায় পনেরো মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এর গায়ে চকচকে লাল রঙের বাকল থাকে। এর গাঢ় সবুজ পাতার কিনার থাকে খাঁজকাটা। ফলে তা দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় মনে হয়। দেখতে সুন্দর বলে শোভাবর্ধক তরু হিসেবে চালতা গাছ পার্ক, উদ্যান, বাগানেও লাগানো হয়। তবে চালতা গাছের মূল আকর্ষণ হলো এর ফুল। এর সাদা রঙের ফুল খুবই মনোলোভা। ফুল বেশ বড় হয়, প্রায় পাঁচ ইঞ্চির ব্যাসের। সুগন্ধীযুক্ত এই ফুলে মোট পাঁচটি পাপড়ি থাকে। এই পাপড়িগুলোকে আঁকড়ে ধরে রাখে ফুলের বৃতি। ফুলের মাঝে থাকে হলদে রঙের কেশর। মে-জুন মাসে চালতা গাছে ফুল ফোটে। চালতা একটি অপ্রকৃত ফল। চালতা ফলের যে অংশটা খাওয়া হয় তা আসলে ফুলের বৃতি। ভক্ষণযোগ্য অংশটা হলো পরিণত বৃতির মাংসল পরত। চালতা ফল বাঁকানো নলের মতো এবং এতে চটচটে কষ বা রস থাকে। ফলগুলো হয় বড় ও গোলাকার। ফলের রং হলুদাভ সবুজ হয় এবং ফলগুলো টক টক স্বাদযুক্ত হয়। চালতা ফলের ইংরেজি নাম Elephant apple এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Dillenia indica। বাংলাদেশের স্থানবিশেষে এই ফল চালিতা বা চাইলতা নামেও পরিচিত। অসমীয়া ভাষায় চালতাকে বলে ঔটেঙা। চালতা ফল দিয়ে অত্যন্ত সুস্বাদু আচার তৈরি করা যায়। কিছু কিছু এলাকায় চালতা দিয়ে তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। এছাড়া চালতা দিয়ে চাটনিও তৈরি করা যায়। পাকা চালতা ভর্তা মসলা দিয়ে মাখিয়েও খাওয়া যায়।
- চালতা একটি অবহেলিত ফল হলেও এর রয়েছে নানা খাদ্যগুণ। যেমন -
- শুধু খাদ্য হিসেবে নয়, রূপচর্চার উপাদান হিসেবেও রয়েছে চালতার ব্যবহার। যেমন -