অনাগত বেতনের আগাম দহন: ২০২৬ নোবেলজয়ীদের তত্ত্বে পে স্কেল ও প্রত্যাশার নোঙর

বিডি নিউজ ২৪ বিকাশ চন্দ্র ঘোষ প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭

অর্থনীতিতে কিছু কিছু ঘটনা বাস্তবে ঘটার আগেই ঘটে যায়; সরকারি বেতন বৃদ্ধির মূল্যস্ফীতি তার একটি জলজ্যান্ত উদাহরণ। গত ১৯ সেপ্টেম্বর নবম জাতীয় বেতন কাঠামোর গেজেট জারি হয়েছে। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে, তবে টাকা আসবে ধাপে ধাপে; চলতি বছর বাড়তি অংশের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ, আগামী জানুয়ারি থেকে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ, আর পুরোটা ২০২৭ সালের জুলাইয়ে।


অর্থনীতিবিদদের চোখে এটি এক ধরনের ‘প্রাকৃতিক পরীক্ষা’, অর্থাৎ গবেষণাগার ছাড়াই বাস্তবে ঘটে যাওয়া পরীক্ষণ। ঘোষণা আজকের; প্রথম কিস্তির টাকা বকেয়াসহ আসবে অক্টোবরের শেষে, আর পুরো বাড়তি মূল বেতন গেজেটের প্রায় সাড়ে নয় মাস পর। অথচ মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা বাজারটি মোটেও অপেক্ষা করে না। ঘোষণার পরপরই গ্রামের মুদিদোকানে চালের দাম বাড়লে তা কেবল ক্রেতার বর্তমান চাহিদার চাপে বাড়ে না, কারণ বেশির ভাগ মানুষের হাতে তখনো বাড়তি টাকা পৌঁছায়নি। দাম বাড়ে বিক্রেতার আগাম হিসাবনিকাশেও, যিনি সামনের দিনগুলোর চাহিদা ও প্রতিযোগীর সম্ভাব্য দাম আজই আন্দাজ করছেন। আর ওই চড়া দাম প্রথম দিনেই গুনতে হয় এমন এক মানুষকে, যার আয় এই গেজেটে এক টাকাও বাড়বে না; সেই দিনমজুর, যার রাতের আহার নির্ভর করে দিনের মজুরির ওপর। আয়ের বণ্টনের দিক থেকে এটি একটি পরোক্ষ হস্তান্তর; অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকের বর্তমান পেটের গ্রাস থেকে বিক্রেতার পকেটে, যার ভিত্তি সরকারি বেতনভোগীর ভবিষ্যৎ আয়ের প্রত্যাশা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও