সংখ্যায় কমলেও তীব্রতা বাড়ছে দুর্যোগের, প্রশমনে প্রস্তুতি কতটা?
টানা বৃষ্টি, পাহাড় ধস আর উজানের ঢলে গত জুলাইয়ে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয় দেশে।
মাস তিনেক আগের ওই দুর্যোগে ১০ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েক লাখ মানুষ; চার দশেকের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি ঝরে চট্টগ্রাম; তলিয়ে যায় নগরের বহু এলাকা। অতি ভারি বর্ষণে তীব্র জলাবদ্ধতার মুখে পড়ে রাজধানী ঢাকাও।
এর আগে এপ্রিল-মে মাসে ছিল বজ্রপাতের দাপট। ২৬ এপ্রিলে শুধু এক দিনে সাত জেলায় ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটে। এরপর ৪ জুন তাপপ্রবাহের বিস্তার ছড়িয়ে পড়ে অন্তত ৪৮ জেলায়। ভূমিকম্প, স্বল্পমেয়াদী বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগও ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার মতো দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবেলায় মৃত্যুর সংখ্যা কমে এসেছে। তবে নতুন নতুন দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। বিশেষ করে ভূমিধস, বজ্রপাত, আকস্মিক বন্যা, অতি বৃষ্টি, তাপপ্রবাহের মতো দুর্যোগ বেড়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশে পালন হচ্ছে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য, ‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’।
সচেতনতা বাড়ানো এবং জোড়ালো প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৯ সালে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয়। এরপর ২০০৯ সালে সিদ্ধান্ত হয়, প্রতি বছরের ১৩ অক্টোবর এ দিবসটি পালন করা হবে।