অসুস্থ মায়ের আকুতি, ‘আমি তোর সাথে যাবোরে, ও সোনার বাজানরে’, নিলেন না ছেলে

প্রথম আলো সাঁথিয়া প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২

‘আমি তোর সাথে যাবোরে, ও সোনার বাজানরে। আমি আর কিছু চাই না।’ ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে এ আকুতিই জানাচ্ছিলেন অসুস্থ মুন্নি খাতুন। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর ছেলে সাগর হোসেন। মাকে সঙ্গে রাখতে চান না তিনি। তাঁর সাফ কথা, মায়ের ভরণপোষণের খরচ দেবেন, কিন্তু তাঁকে নিজের সঙ্গে রাখা সম্ভব নয়।


পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে গত বৃহস্পতিবার মা-ছেলের বিরোধ নিয়ে শুনানিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।


শুনানিতে ইউএনও সেলিম আহমেদ ছেলেকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন; কিন্তু সাগর নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, মাকে তাঁর সঙ্গে থাকতে দিলে আত্মহত্যা করা ছাড়া উপায় থাকবে না।


৫৫ বছর বয়সী মুন্নি খাতুনের সঙ্গে এ বিরোধ নিয়ে কিছু বলতে নারাজ সাগর (৩২)। তবে স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মা-ছেলের এ বিরোধের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের পারিবারিক অশান্তি ও অভিমান। সাগরের বিয়ের পর থেকে তাঁর স্ত্রী ও মায়ের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। পরে এ বিরোধে সাগরের বোনও মায়ের পক্ষ নিয়ে জড়ালে অশান্তি আরও বাড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে কয়েক দফা সমাধানের চেষ্টা করেও এ বিরোধ মেটেনি।


সাগর হোসেন সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) গ্রাম পুলিশ। তাঁর বাবা সিরাজুল ইসলাম অনেক আগেই মারা গেছেন। বোনের বিয়ে হয়েছে। মুন্নি খাতুন এখন ছেলের সঙ্গে স্বামীর রেখে যাওয়া বাড়িতে থাকেন না, থাকেন মেয়ের বাড়িতে। মা ও ছেলে দুজনেরই কিছু জমিজমা রয়েছে। মুন্নি খাতুনের নিজের নামেও প্রায় ১০ লাখ টাকার জমি আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী। তাঁরা বলছেন, মা-ছেলের এ বিরোধে মূলে আর্থিক অনটন নয়, বরং একসঙ্গে থাকা নিয়ে পারিবারিক টানাপোড়েন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও