নিত্যদিনের খাবার নুডলসের বাজার ১২০০ কোটি টাকার
নুডলস। একসময় বাসায় মেহমান এলে আপ্যায়নে বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে নিজেদের নাশতায় কদাচিৎ দেখা মিলতো এই খাদ্যপণ্যের। কালের পরিক্রমায় এখন তা পরিণত হয়েছে নিত্যদিনের খাবারে। সেই সময় সম্ভবত খুব বেশি দূরে নয়, যখন মাছে-ভাতের বাঙালি দিনের কোনো একবেলা নিয়মিত পেট ভরাবে নুডলস দিয়ে। কারণ এখনই নতুন প্রজন্মের অনেকে প্রায়ই সেটা করতে পছন্দ করেন।
এমন বাস্তবতায় দেশের বাজারে ভোগ্যপণ্য হিসেবে নুডলসের চাহিদা কয়েক দশক ধরে দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। বাজার-সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত নগরায়ণ, শহরে দ্বৈত আয়ের পরিবার বৃদ্ধি ও ব্যস্ত কর্মজীবী জনসংখ্যা বাড়ার কারণে খাদ্যটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পাশাপাশি সহজলভ্য ও সহজে তৈরি করতে পারাও চাহিদা বৃদ্ধির একটি বড় কারণ।
কোম্পানিগুলোর তথ্য বলছে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশে নুডলসের বাজার প্রায় ১২ গুণ বেড়েছে। এখন এর আকার এক হাজার ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি, যা ২০১০ সালের দিকে ১০০ কোটি টাকা ছুঁয়েছিল। প্রতি বছর এ পণ্যের বাজার ১০ শতাংশের বেশি হারে বাড়ছে।
বাজারে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের অংশ ৭৫ শতাংশ
নুডলস উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে ৪০টির বেশি ব্র্যান্ড আছে, যারা ইনস্ট্যান্ট, কাপ ও স্টিক নুডলস এবং রামেনের মতো পণ্য তৈরি করছে। এসবের প্রায় ১২০ রকমের পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বাজার অংশীদারত্ব ৭৫ শতাংশের ওপর। পাশাপাশি স্টিক ও কাপ নুডলসও বেশ প্রসারিত হচ্ছে।
৬০ শতাংশের বেশি নুডলস বিক্রি হয় দেশের মফস্বল অঞ্চলগুলোতে। অর্থাৎ, শহর ও গ্রামে সমানতালে পণ্যটির চাহিদা বাড়ছে। বহুজাতিক কোম্পানি ও দেশীয় উৎপাদনকারীরা পণ্য বিপণন করছে। তবে বর্তমানে বাজারে নেতৃত্বে রয়েছে দেশি কোম্পানিগুলো।
- ট্যাগ:
- ব্যবসা ও অর্থনীতি
- দিবস
- নুডলস