You have reached your daily news limit

Please log in to continue


এআই কি সত্যের ওপর আস্থার সংকট তৈরি করছে?

একসময় মানুষ বলত, চোখে দেখা জিনিসই আসল বিশ্বাস। ছবিকে ধরা হতো ঘটনার সাক্ষী হিসেবে, কণ্ঠস্বরকে ব্যক্তির পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে, ভিডিওকে বাস্তবতার দৃশ্যমান দলিল হিসেবে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ সেই পুরোনো নিশ্চয়তাকে নড়বড়ে করে দিয়েছে। এখন চোখের সামনে দেখা ছবি সত্য নাও হতে পারে, কানে শোনা কণ্ঠস্বর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাও হতে পারে, ভিডিওতে দেখা ঘটনাও বাস্তবে ঘটেনি, এমনকি কোনো মানুষের মুখ ও কণ্ঠ ব্যবহার করে এমন বক্তব্যও তৈরি করা সম্ভব, যা তিনি কখনো বলেননি। তাহলে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের বাণী কি ফলতে শুরু করেছে?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উত্থান এবং ২০৩০ সালকে ঘিরে ‘জ্যাকব’-এর নামে প্রচারিত মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা অনেকের মনে একটি ধর্মীয় প্রশ্নও জাগাচ্ছে। তা হলো, বর্ণিত কিয়ামত ও মানবজাতির বিপর্যয়ের সতর্কবাণী কি তবে বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে? পবিত্র কোরআনে সরাসরি এ ধরনের আয়াত নেই। তবে মিথ্যা, সত্যকে আড়াল করা এবং সত্য-মিথ্যার বিভ্রান্তি সম্পর্কে কোরআনে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবাণী রয়েছে। যেমন, সূরা আল-বাকারা, ২:৪২: “তোমরা সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে-শুনে সত্য গোপন করো না।” সূরা আল-হাজ্জ, ২২:৩০: “মিথ্যা কথা থেকে বেঁচে থাকো।” সূরা আন-নাহল, ১৬:১০৫: যারা আল্লাহর আয়াত বিশ্বাস করে না, তারাই মিথ্যা রচনা করে।

এখানেই এআই যুগের সবচেয়ে গভীর সামাজিক সংশয় সামনে এসে গেছে। মিথ্যা যখন সত্যের মতো দেখতে মনে হচ্ছে, তখন মানুষ কাকে বিশ্বাস করবে? এআই কি তবে অবিশ্বাসের যুগ শুরু করে দিয়েছে? উত্তরটি সরল ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ নয়। এআই নিজে অবিশ্বাসের যুগের জন্য দায়ী নয়। বরং এআই এমন একটি প্রযুক্তিগত ক্ষমতা তৈরি করেছে, যার অপব্যবহার মানুষের বহু পুরোনো মিথ্যা, প্রতারণা ও প্রচারণাকে আগের তুলনায় বহুগুণ শক্তিশালী করে তুলতে পারে। ফলে সংকটটি প্রযুক্তির চেয়ে বেশি বিশ্বাসের সংকট।

আজকাল ছবির ওপরও মানুষের বিশ্বাস ভেঙে যাচ্ছে। একটি ছবি দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবতার শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কোনো দুর্ঘটনা, যুদ্ধ, রাজনৈতিক সমাবেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি—ছবির মাধ্যমে আমরা তার দৃশ্যমান প্রমাণ পেতাম। এআই-উৎপাদিত ছবি ও ভিডিও সেই ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছে। আলো-ছায়া, মুখাবয়ব, পোশাক, পরিবেশ—সবকিছু এমনভাবে সাজানো যায় যে সাধারণ দর্শকের পক্ষে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে, ছবিটি বাস্তব নাকি কৃত্রিম।

এর ফলে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আগে সমস্যা ছিল মিথ্যাকে সত্য বলে বিশ্বাস করা। এখন নতুন সমস্যা হচ্ছে, সত্যকেও মিথ্যা বলে অস্বীকার করা। এটি আরও ভয়ংকর। কারণ কোনো ভুয়া ছবি ছড়িয়ে একজন নিরপরাধ মানুষকে অভিযুক্ত করা যেমন ক্ষতিকর, তেমনি কোনো সত্যিকারের ছবি দেখিয়ে বলা, ‘এটিও তো এআই দিয়ে বানানো’—এমন প্রবণতাও সমাজের সত্য যাচাইয়ের ভিত্তি দুর্বল করে দেয়।

নকল ভিডিও আছে, কিন্তু ঘটনাটি ঘটেনি। ভিডিওকে একসময় ছবির চেয়েও শক্তিশালী প্রমাণ মনে করা হতো। কারণ ভিডিওতে ঘটনা চলমান অবস্থায় দেখা যায়। কিন্তু জেনারেটিভ এআই সেই নিশ্চয়তাকেও চ্যালেঞ্জ করেছে।

একজন রাজনৈতিক নেতা এমন কথা বলেছেন—এমন ভিডিও তৈরি করা সম্ভব, যা তিনি কখনো বলেননি। কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার কণ্ঠস্বর নকল করে বক্তব্য তৈরি করা সম্ভব। কোনো পরিচিত ব্যক্তিকে এমন পরিস্থিতিতে দেখানো সম্ভব, যেখানে তিনি কখনো ছিলেনই না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন