দুই প্রকল্পে গচ্চা ২৬ কোটি টাকা, আবার বড় প্রকল্পের তোড়জোড়

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৩

ছোট হিমাগার নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) দুটি প্রকল্প কৃষকবান্ধব ও সাশ্রয়ী না হওয়ায় সরকারের গচ্চা গেছে প্রায় ২৬ কোটি টাকা। অতিসম্প্রতি জমা পড়া ডিএইর ফার্মার্স মিনি কোল্ডস্টোরেজ প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন সূত্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এমন প্রেক্ষাপটে হিমাগার নিয়ে বড় প্রকল্পের তোড়জোড় শুরু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাইলট প্রকল্পের সফলতার মাত্রা দেখেই সরকারের বড় প্রকল্পের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। নইলে সরকারের অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।


কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমে উৎপাদিত ফল ও সবজি সংরক্ষণে সরকার দুটি প্রকল্পে প্রায় ২৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এসব প্রকল্পে ১৮০টি ছোট হিমাগার করার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত করা হয়েছে ১৫০টি। একটি প্রকল্পে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি হিমাগার তৈরি করা হয়েছে। আরেকটি প্রকল্পে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮০টি করার কথা থাকলেও করা হয়েছে ৫০টি। প্রকল্প দুটির একটি চলতি বছরের জুনে শেষ হয়েছে, অন্যটি আগামী অক্টোবরে শেষ হবে। দুটি প্রকল্পে তৈরি হিমাগারগুলোর ক্ষেত্রেই কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এখন আরও প্রায় দুই হাজার হিমাগার তৈরির প্রকল্প হাতে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

অল্প সময়ে নষ্ট হয় ফল-সবজি


বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সাশ্রয়ী কোল্ডস্টোরেজ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি প্রকল্প’। ২০২৫ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া প্রকল্পটি শেষ হয়েছে চলতি বছরের জুনে। এই প্রকল্পের আওতায় ১০০টি ছোট হিমাগার করা হলেও বিদ্যুৎ-সংযোগ না থাকায় ৫০টি এখনো সচল হয়নি। জানা গেছে, সচল হওয়া হিমাগারের সুফলও কৃষকেরা ঠিকমতো পাচ্ছেন না। প্রকল্পটি নিয়ে সরেজমিন অনুসন্ধান এবং প্রভাব মূল্যায়ন করে গত বুধবার ডিএইর মহাপরিচালকের দপ্তরে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এ বিষয়ে গঠিত কমিটি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও