এআই দিয়ে ছবি তৈরির পর মূল ছবি কী করে চ্যাটবটগুলো

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৪১

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশির দশকের আদলে তৈরি ছবি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) চ্যাটবট জেমিনাই বা চ্যাটজিপিটিতে নিজের ছবি আপলোড করে সেগুলো কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আশির দশকের আবহে রূপান্তর করে প্রকাশ করছেন অনেকে। কারও ছবিতে যোগ হচ্ছে সেই সময়ের পোশাক ও চুলের ধরন, আবার কারও ছবিতে তৈরি হচ্ছে তরুণ বয়সের অবয়ব। কেউ কেউ আশির দশকের জনপ্রিয় গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বা বসে থাকার ছবিও তৈরি করছেন।


তবে এআই দিয়ে এমন ছবি তৈরির সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনেকেরই নজর এড়িয়ে যাচ্ছে। যেসব ছবি ব্যবহার করে নতুন ছবি তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলো জেমিনাই বা চ্যাটজিপিটির কাছে কিন্তু স্থায়ীভাবে রয়ে যাচ্ছে। ফলে ছবিটি কত দিন সংরক্ষণ করা হবে বা সেটি কী কাজে ব্যবহার করা হতে পারে, এসব প্রশ্নও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়্যার্ডের এক প্রতিবেদনে এআই চ্যাটবটে ছবি আপলোড করার সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো এআই চ্যাটবটে একটি ছবি আপলোড করার অর্থ শুধু ছবি জমা দেওয়া নয়, এর সঙ্গে ব্যবহারকারীর বিভিন্ন তথ্যও যুক্ত থাকে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনের গ্যালারিতে থাকা অন্য অনেক ছবির মতো নিজের একটি ছবিকেও সাধারণ ছবি মনে হতে পারে। কিন্তু চ্যাটজিপিটি, জেমিনাই বা অন্য কোনো এআই অ্যাপে সেই ছবি আপলোড করলে বিষয়টি আর শুধু ছবি পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। ছবি বিশ্লেষণ করে সেটি কখন, কোথায় ও কোন যন্ত্র দিয়ে তোলা হয়েছে, তা জানা যেতে পারে। এর পাশাপাশি মানুষের মুখ নিজেই একটি স্বতন্ত্র পরিচয়। ফলে কোনো ছবির মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সম্ভব হলে সেই ছবিও ব্যক্তিগত তথ্যের অংশ হয়ে উঠতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও