বাড়ছে বিদ্যুৎ ঘাটতি, পর্যাপ্ত বিকল্প নেই
গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানির সংকট এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি সমস্যায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। ফলে একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলেই ঘাটতি পূরণে অন্য কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ থাকছে কম। এতে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের চাপ।
ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বয়লারে সমস্যা দেখা দেওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাংলাদেশে ওই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা।
ওই ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়। আগস্টের শেষ দিক থেকে দিনের বেলায় আদানি থেকে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যার সময় প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছিল। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের দেওয়া তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, বয়লারটি ঠান্ডা হতে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। এরপর মেরামতের কাজ শুরু করা যাবে। পুরোপুরি বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- বিকল্প উপায়
- বিদ্যুতের ঘাটতি