জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কি সত্যিই ‘আলাদিনের চেরাগ’ লাগবে?

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ছয় দফা দাবিতে যেদিন (শনিবার) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ করল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য—তার আগের দিন রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদু সালাম বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আলাদিনের চেরাগ নেই যে ঘষা দিলেই গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি—সব চলে আসবে।’ ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবিতে লংমার্চ করে কোনো লাভ নেই। বরং এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে যে পেট্রল বা গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও অপচয়।’


প্রশ্ন হলো, গ্যাস-বিদ্যুৎ তথা জ্বালানি সংকট নিরসনে আলাদিনের চেরাগ কেন লাগবে? প্রচলিত ব্যবস্থাটি কেন ধ্বংস হয়ে গেল যে এখন আলাদিনের চেরাগের মতো অলৌকিক কিছু একটা না হলে এই সমস্যার সমাধান করা যাবে না? এই পরিস্থিতির জন্য কারা দায়ী?


জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হয় গত ৭ জুন। এর তিন দিন পরে, ১০ জুন অর্থাৎ বাজেট পেশ করার আগের দিন জাতীয় সংসদের বৈঠকে দেশের চলমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টি আলোচনায় আসে। তার আগের দিনও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে এমপিদের তোপের মুখে পড়েন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এমনকি জাতীয় সংসদের স্পিকারও তাঁর নিজ জেলা ভোলায় গ্যাস থাকলেও সেখানকার মানুষ প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পাচ্ছে না বলে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।


১০ জুন জাতীয় সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের আলোচনায় নাটোরের এমপি রুহুল কুদ্দুস তালুকদার তাঁর এলাকার শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংযোগের দাবির জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী রসিকতা করে বলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি, আমাদের সবার শ্বশুরবাড়ি আছে। সিলেটে গেলে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে বলে সিলেটের দামান, আর নাটোরে গেলে আমাকে বলে নাটোরের জামাই। নাটোর বাংলা ভাষার গালির জায়গা, আমার শ্বশুরবাড়ি। এখানে তো গ্যাস দিতেই হবে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও