‘আনন্দময়ীর আগমনে”: যে কবিতায় কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য

জাগো নিউজ ২৪ জান্নাতুল বাকেয়া কেকা প্রকাশিত: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪০

দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিপ্লবে বিদ্রোহের ঝঞ্ঝাবায়ু হয়ে উঠেছিলেন সেই উনিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনীতে সোচ্চার হওয়ায় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। কারণ তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি নিজ সাহিত্যের সৃজনে লিখিতভাবে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার দাবি তুলে ধরেছিলেন। ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য সমগ্র জাতিকে সংগ্রামের পথে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি তাঁর ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতায় নানান মিথ ও পুরাণের কাল্পনিক শব্দের ব্যবহারে ব্রিটিশ শাসনে-শোষণে পিষ্ট ভারতবর্ষের স্বাধীনতার ডাক দিয়ে ব্রিটিশ শাসকদের রোষানলে পড়েন।


উনিশ শতকের বিশের দশক। বিশ্বময় তখন ব্যাপক অস্থিরতা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোলে বৈশ্বিক রাজনীতিতে বিভক্তি। দেশে দেশে স্লোগানমুখরতায় জাতীয়তাবাদী চেতনার উত্থান। সুতরাং সেই বৈশ্বিক অগ্নিগর্ভ সময়ে সাম্রাজ্যবাদী ঔপনিবেশবাদের আগ্রাসী শাসক ব্রিটিশ বেনিয়ারা নজরুলের স্বাধীনতার দাবি তোলাটা ভালো চোখে দেখেনি। কেননা তারুণ্যের কবি নজরুল ইসলাম তাঁর লেখনীর শক্তিতে ক্ষমতায়-রাষ্ট্রক্ষমতার বলে পুরো ভারতবর্ষের অধীশ্বর ইংরেজ শাসককুলের এক প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিলেন। সুতরাং তরুণ কবি-সাংবাদিক নজরুলকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে অভিযুক্ত করে কারারুদ্ধ করা হয়। সেই দীর্ঘ কারাবাসে তাঁর জন্য নিশ্চিত ছিল না নিয়মমাফিক ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়া; এমনকি জেল কোডের নিয়ম ও ন্যায্যতাও যথাযথ বিবেচনা করা হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও