খেলাপিরা বারবার ছাড় পান, ব্যাংকে টাকা ফেরে না

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬

দেশে খেলাপি ঋণ ও পুনঃ তফসিল করা ঋণ—দুটোই বেড়েছে। অথচ ঋণ পুনঃ তফসিলের সুযোগ দেওয়ার সময় বরাবরই বলা হয়েছে, এতে ব্যাংকের আটকে থাকা টাকা ফেরত আসবে, সমস্যায় পড়া ব্যবসা সচল হবে এবং খেলাপি ঋণ কমবে।


বাস্তবে ব্যাংকের খাতায় খেলাপি ঋণ সাময়িকভাবে কমলেও সেই হারে আদায় বাড়েনি; বরং পুনঃ তফসিল করা ঋণের বড় অংশ আবার খেলাপি হয়েছে।


তাই পুরোনো প্রশ্নটিই আবার সামনে এসেছে—ঢালাওভাবে ঋণখেলাপিদের ছাড় দিয়ে কি সমস্যার সমাধান করা যায়, নাকি এতে কিছু ঋণগ্রহীতা শুধু বাড়তি সময় পান আর সমস্যাটি ভবিষ্যতের জন্য রেখে দেওয়া হয়।


হাজার কোটি টাকার ঋণে ১৫ বছর


বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৩১ আগস্ট খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠনের সুবিধা আরও বাড়িয়েছে।


নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান বা শিল্পগোষ্ঠীর ঋণস্থিতি এক হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করা যাবে। আগে এ সময় ছিল ১০ বছর।


এ সুবিধার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। প্রয়োজনীয় কিস্তি বা ডাউন পেমেন্ট নিয়ে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। ২০২৫ সালের নীতিসহায়তা বা বাংলাদেশ ব্যাংকের বাছাই কমিটির মাধ্যমে যারা আগে সুবিধা পেয়েছে, তারাও আবার আবেদন করতে পারবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও