বাংলাদেশি পাটপণ্যে শুল্ক আরও বাড়াল ভারত, আরও শুল্কের পরিকল্পনা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১

বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা পাটজাত পণ্যের ওপর ভারতের সরকার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরও বাড়িয়েছে। এর ফলে ভারতের স্থানীয় পাটপণ্য উৎপাদকেরা সুরক্ষা পাবেন বলে আশা করা হলেও বাংলাদেশের জন্য এটি খারাপ খবর। একই সঙ্গে ভারতীয় পাটকলগুলোর পাটপণ্যের চাহিদা এবং উৎপাদন সক্ষমতার ব্যবহারও বাড়তে পারে।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু বিজনেসলাইনের খবরে বলা হয়েছে, বর্ধিত শুল্ক ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। ফলে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতীয় পাটশিল্প এর সুফল পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশে পাটপণ্যের চাহিদা বাড়লে ভারতীয় পাটচাষি, শ্রমিক এবং পাটকলগুলোও লাভবান হবে।


ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় এই বাড়তি অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর আগে ভারতের বাণিজ্য প্রতিকারবিষয়ক অধিদপ্তর ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিজ (ডিজিটিআর) বিষয়টি নিয়ে একটি মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা করেছিল। ভারত ২০১৭ সালে প্রথমবার অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছিল এবং ২০২২ সালে সেটি আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো হয়। কিন্তু পর্যালোচনায় দেখা যায়, পুরোনো শুল্কের কার্যকারিতা অনেকটাই কমে গেছে।


গত চার বছরে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে ভারতে পাটের সুতা, হেসিয়ান কাপড় এবং স্যাকিং বা বস্তা জাতীয় পণ্যের আমদানি প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে ভারতের মোট পাটপণ্য ব্যবহারের প্রতি সাত টনের মধ্যে প্রায় এক টন বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও