জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উঁচু পর্বতের পাথর ও বরফের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়ছে

প্রথম আলো নেপাল প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৩

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উঁচু পর্বতের পাথর ও বরফের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এর ফলে বাড়ছে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি। নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে তেমনই এক হিমবাহ ধস ও বন্যায় প্রাণ গেছে অন্তত ৩৫৯ জনের। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনেরই ফল।


আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় এক হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৮০০ বিদেশি। আগের দিন হিমবাহ ধসের ফলে মাটি ও পাথরের একটি বিশাল অংশ হিমালয়ের একটি নদীতে আছড়ে পড়ে। এর পরপরই উপত্যকা ও পাহাড়ি জনপদ ভাসিয়ে নিয়ে যায় প্রলয়ংকরী বন্যা।


আর্থ সায়েন্সেস নিউজিল্যান্ডের ‘মাউন্টেনস টু সি’ কর্মসূচির প্রধান বিজ্ঞানী সাইমন কক্স বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উঁচু পর্বতের পাথর ও বরফের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়ছে।’ তিনি আরও জানান, এর ফলে হিমবাহ ধস এবং চলতি সপ্তাহের মতো একের পর এক দুর্যোগ বারবার ঘটছে।

দুর্যোগের সঠিক কারণ এখনো অনুসন্ধানে
বুধবারের এই বিপর্যয়ের মূল কারণ জানতে এখনো বিশ্লেষণ চলছে। তবে বিজ্ঞানীরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন, নেপালের ‘লাংটাং লিরুং’ চূড়ার উত্তর ঢালে একটি বিশাল হিমশিলা ধসে পড়ে। এরপর সেই ধস তিব্বত অংশের ‘লেন্দে খোলা’ নদীতে আছড়ে পড়লে এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত।


প্রথম ধসের পর শুরু হয় ধারাবাহিক বিপর্যয়। এতে সীমান্তজুড়ে অন্তত ছয়টি বড় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে জিরং স্থলবন্দরের বাণিজ্যকেন্দ্রের অবকাঠামো। শুধু তা-ই নয়, ভারত সীমান্তের কাছাকাছি ভাটির ১০০ কিলোমিটারের বেশি এলাকার নদীর গতিপথকে এটি প্রভাবিত করেছে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বুধবারের এই ধসের পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনই একমাত্র ও তাৎক্ষণিক কারণ নয়। তবে তাঁরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও হিমবাহ গলে যাওয়া বড় ভূমিকা রেখেছে।


সাইমন কক্স আরও বলেন, তাপমাত্রা বাড়লে খাড়া ঢালে বরফের বাঁধন দুর্বল হয়ে যায়। একই সঙ্গে বাড়ে গলিত বরফের পানির প্রবাহ। এ ছাড়া বরফ জমাট বাঁধা ও গলে যাওয়ার চক্র এবং বৃষ্টির ধরনেও পরিবর্তন আসে। এসব কারণে পাহাড়ের ঢাল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং কিছু জায়গায় ধসের ঘটনা আরও বাড়ে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও