আমরা তার ছলনায় ভুলব না

যুগান্তর ড. মাহবুব উল্লাহ প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:২১

বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে ভারত এক মারাত্মক খেলায় মেতে উঠেছে। ২০২৪-এর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশে তার দীর্ঘদিনের মসনদ হারিয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন। পালিয়ে যাওয়া ছাড়া শেখ হাসিনার আর কোনো গত্যন্তর ছিল না। গণভবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য তাকে ৪৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাদের পক্ষে তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব নয়। লাখো জনতা গণভবনের নিরাপত্তাব্যূহ ভেদ করে শেখ হাসিনাকে তাদের করায়ত্তে নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর ছিল। শেখ হাসিনাকে সরাসরি হাতে পেলে যে জনতা তার অস্থিমজ্জার কী অবস্থা করত, তা ভাবা যায় না।


শেখ হাসিনা নিজেই ভারত সরকারের কাছে তাকে সাময়িকভাবে আশ্রয় দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রী শ্রী জয়শংকর এ কথাটি ভারতীয় পার্লামেন্টে জানিয়েছিলেন। শেখ হাসিনার জন্য এ সিদ্ধান্তই স্বাভাবিক ছিল। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর তিনি ভারতের তাঁবেদারি করেছেন। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধা না দেখিয়ে ভারতের স্বার্থ পূরণে প্রতিনিয়ত ব্যাগ্র ছিলেন তিনি। তিনি তো নিজেই বলেছিলেন, ভারতকে যা দিয়েছি তা তারা চিরদিন স্মরণ রাখবে। ভারতকে ট্রানজিট করিডর ও বন্দর সুবিধা দিতে গিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে কুমড়ার ফালির মতো টুকরো টুকরো করে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল। শেখ হাসিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন লজ্জাশরমের মাথা খেয়ে বলেছিলেন, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো। এই উচ্চ ডিগ্রিধারী কুলাঙ্গার যে কত নিু রুচির মানুষ হতে পারে, তা তার কথা থেকেই ফুটে উঠেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও