সহিষ্ণুতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান কর্তব্য

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৬

বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দমন, পীড়ন ও হত্যার প্রতিবাদে ছাত্র–জনতার প্রতিরোধ রূপ নেয় গণ–অভ্যুত্থানে। পতন হয় স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের। এরপর নানা পক্ষের দর–কষাকষির মধ্য দিয়ে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেই সরকার বাংলাদেশের খোলনলচে বদলে দেবে, সেটা আশা করাই বরং ছিল আকাশকুসুম কল্পনা। সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যাঁরা ডাক পেয়েছিলেন, তাঁরা হয়তো অনেকেই পেশাগত জীবনে সফল বা উচ্চ ডিগ্রিধারী, কিন্তু অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে গৎবাঁধা চর্চা ও চিন্তার বাইরে গিয়ে সমাজ বা রাষ্ট্রকে আমূল বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেখার কিংবা দেখানোর সামর্থ্য তাঁদের ছিল না। তারপরও ওই সরকারকে আমরা আঁকড়ে ধরেছিলাম। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালের আগে বাংলাদেশের কোনো উত্থান-পতন বা সংকটের মুহূর্তে কখনো ভূমিকা নিতে না দেখলেও বহির্বিশ্বে তাঁর যে ভাবমূর্তি, সেটাকেই অনেকে ভূরাজনৈতিক সমীকরণে ঢাল হিসেবে গণ্য করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বের ওপর ভরসা রেখে মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল।


কিন্তু ‘জুলাইয়ের স্বপ্ন’ বলে যদি কিছু থেকে থাকে, সরকার গঠনের পর মুহূর্ত থেকেই তা ধাক্কা খেতে শুরু করে। নতুন সরকারকে পাহাড় ঠেলতে হয়েছিল। দেড় দশকে জমা হওয়া বঞ্চনা আর নালিশ নিয়ে মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। দীর্ঘদিনের নিপীড়নের শৃঙ্খল ভেঙে নেমে আসা মানুষেরা বোধগম্যভাবেই অসহিষ্ণু ছিল। অনেকে এ–ও মনে করেন, কথায় কথায় অনেকের পথে নেমে আসার পেছনে ক্ষেত্রবিশেষে হয়তো পতিত রেজিমের কুশীলবেরাও মদদ জুগিয়েছে। সব মিলিয়ে সরকারকে প্রথম দিন থেকেই কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছে। তাদের সম্বল বলতে ছিল লুটপাটে ছিবড়ে হয়ে যাওয়া অর্থনীতি, দল ও গোষ্ঠীতন্ত্রে নুব্জ্য আমলাতন্ত্র এবং নির্বাহী বিভাগ। এসবের ওপর না করা গেছে ভরসা, না ছিল এসবের হাত থেকে রাতারাতি পরিত্রাণের উপায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও