গ্যাস সংকটের ধাক্কা বিদ্যুতে, লোডশেডিং উঠেছে ৯৬২ মেগাওয়াটে
মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় পাঁচ দিনে জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমেছে; মোট গ্যাস সরবরাহ কমেছে দৈনিক প্রায় ৪৯ কোটি ঘনফুট।
এই ঘাটতির ধাক্কা পড়েছে বিদ্যুৎ খাতে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমেছে প্রায় ২৩ কোটি ঘনফুট, আর গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ২৫ শতাংশ।
গ্যাসের ঘাটতি সামাল দিতে কয়লা ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে উৎপাদন বাড়ানো হলেও চাহিদার পুরোটা মেটানো যাচ্ছে না। তাতে ২৫ জুলাই রাত ১১টায় লোডশেডিং সর্বোচ্চ ৯৬২ মেগাওয়াটে ওঠে।
পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ও বিতরণ প্রতিবেদন এবং পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির জাতীয় লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের দৈনিক পরিচালন প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এই চিত্র পাওয়া গেছে।
গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুতের পাশাপাশি বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও সিএনজি স্টেশনেও সংকট তীব্র হয়েছে।
রাজধানীর অনেক এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলা জ্বলছে না। বিদ্যুচ্চালিত চুলায় রান্না করতে গিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের চাপে পড়ছে গ্রাহক।