তেলের পরে গ্যাসের লাইন: জ্বালানি সংকটের ভবিষ্যৎ কী
জ্বালানি তেলের পরে এবার সিএনজি স্টেশনেও যানবাহনের দীর্ঘ সারি। জ্বালানি তেলের সংকটের পেছনে ইরান যুদ্ধ তথা মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এবং অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে দায়ী করা হলেও তেলের দাম বাড়ানোর পরদিনই পাম্পের আশপাশ থেকে যানবাহনের লাইন উধাও হয়ে গিয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছে, এবার সিএনজি স্টেশনে যানবাহনের লাইনের পেছনেও গ্যাসের দাম বাড়ানো বা অন্য কোনো ব্যবসায়িক স্বার্থ রয়েছে কি না। কেননা ঘরপোড়ার মধ্যে কীভাবে আলু পোড়া দিয়ে খেতে হয়, সেটি আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা খুব ভালো জানেন। অর্থাৎ যে কোনো সংকটকে তাঁরা মুনাফা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন।
অনেক সময় তাঁরা রাতারাতি মোটা অঙ্কের বাড়তি মুনাফা তুলে নিতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিতেও সিদ্ধহস্ত। চলমান গ্যাস সংকটের পেছনে এরকম ‘ঘর পোড়ার মধ্যে আলু পোড়া’ কিংবা গ্যাসের দাম বাড়াতে সরকারের কোনো দূরভিসন্ধি আছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কেননা রোববার বিবিসি বাংলার একটি খবরেও বলা হয়েছে, চলমান সংকটের মধ্যেই সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘটে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- ট্যাগ:
- মতামত
- জ্বালানি সংকট