বাংলাদেশ কি চকরিয়া সুন্দরবন ফিরিয়ে আনতে পারবে?

ডেইলি স্টার ফিলিপ গাইন প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০২৬, ২১:৩৭

দিগন্তজুড়ে বিস্তৃত বিশাল প্রান্তর। যেখানে গাছপালা তো নেই-ই, এমনকি ঘাসের অস্তিত্বও খুঁজতে হয়। কয়েক ফুট উঁচু কাদামাটির বাঁধ এলাকাটিকে অসংখ্য ছোট ছোট ব্লকে ভাগ করে রেখেছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, ছোট-বড় অসংখ্য পুকুরের এক অন্তহীন জাল।


জোয়ারের সময় উপকূলীয় এ অঞ্চলের নদী-খাল কানায় কানায় পানিতে ভরে যায়। আবার ভাটায় সেই পানি ১০-১২ ফুট নেমে যায়। কিন্তু কাদামাটির বাঁধে ঘেরা ঘেরগুলোর ভেতরে আটকে থাকা পানি একই স্তরে আটকে থাকে। অর্থাৎ উপকূলীয় জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক প্রবাহ সেখানে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ, লবণাক্ত পানি আটকে রেখে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি চাষ হচ্ছে এসব ঘেরে।


এখন যে ২১ হাজার একর জুড়ে চিংড়ির ঘের, সেটিই একসময়ের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া সুন্দরবন। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত এলাকাটি নানা দেশীয় প্রজাতিতে সমৃদ্ধ একটি প্যারাবন ছিল। এ বনের প্রধান প্রজাতিগুলোর মধ্যে ছিল সুন্দরী, গেওয়া, কেওড়া, হেঁতাল, পশুর, ধুন্দল, হাওয়া, গোলপাতা প্রমুখ (বাংলাপিডিয়া ২০১২, ৩৩৩)। বনটি ছিল বাঘ, হরিণ, বুনো শূকর, বানরসহ নানা বন্যপ্রাণীর এক সমৃদ্ধ আবাসস্থল। চকরিয়া সুন্দরবনে মাছ ও প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো চিংড়িও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও