বিদেশে পড়তে ১১ হাজার কোটি টাকা, পাঁচ বছরে ব্যয় দ্বিগুণ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫১

একসময় শুধু বৃত্তি পেয়ে বিদেশে পড়তে যেতেন মেধাবী শিক্ষার্থীরা, যার খরচ বহন করত সেই দেশগুলো বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এর পাশাপাশি এখন নিজেরা খরচ করে সন্তানদের বিদেশে পড়াতে পাঠাচ্ছেন অনেক অভিভাবক।


বেশির ভাগ শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করতে যাচ্ছেন। কেউ কেউ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়েও বিদেশে চলে যাচ্ছেন। এর ফলে বিদেশে শিক্ষা খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিদেশে শিক্ষার পুরো খরচই মেটাতে হচ্ছে বিদেশি বিভিন্ন মুদ্রায়। এখন আগের চেয়ে সহজে বিদেশে শিক্ষা খরচ পাঠানো যাচ্ছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে বিদেশে শিক্ষা বাবদ বাংলাদেশ থেকে ব্যয় হওয়া অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশে শিক্ষা খাতে খরচ হয়েছে ৮৮ কোটি ১৭ লাখ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ১০ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৪ টাকা হিসাবে)।


আগে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার জন্য ইউরোপ-আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশি যেতেন। এখন সেই তালিকার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।


সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দেশে শিক্ষার অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে, তবে মানের বিস্তার হয়নি। আমাদের শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সংযোগ সেভাবে ঘটেনি, ফলে শিক্ষিত বেকার তৈরি হচ্ছে। এ জন্য অভিভাবকেরা মানসম্পন্ন শিক্ষার উদ্দেশে সন্তানদের বিদেশে পাঠাচ্ছেন।’


হোসেন জিল্লুর রহমান আরও বলেন, ‘এটা একধরনের আন্তর্জাতিক অঙ্গনমুখিতা, অন্যদিকে দেশীয় মানের দুর্বলতা। এটা সহজেই কমবে না। আমাদের নিজেদের জন্য শিক্ষার মানের উন্নতি ঘটিয়ে কর্মসংস্থানের সঙ্গে সংযোগ ঘটাতে হবে, যাতে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কমে আসে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও