বেনামি ঋণ ১৩১৬৬ কোটি টাকা

যুগান্তর প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৫

ভুয়া নাম ব্যবহার করে আইএফআইসি ব্যাংক থেকে ১৩ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে ২৮টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ফান্ডেড (নগদ) ঋণ ১২ হাজার ১৬৬ কোটি এবং নন-ফান্ডেড (এলসি ও ব্যাংক গ্যারান্টি) ঋণ ১ হাজার ২০ কোটি টাকা। এসব ঋণকে বেনামি বলা হয়। বর্তমানে এর পুরোটাই খেলাপি। গত ১৫ বছরে এই ঋণ নেওয়া হয়েছে। ঋণ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই নির্মাণ, আবাসন, ট্রেডিং ও প্রকৌশল খাতের। এর সঙ্গে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আইএফআইসি ব্যাংকের বিশেষ অডিট রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে।


রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে-একই ব্যাংক থেকে বিতর্কিত ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম মজুমদারের মালিকানাধীন নাসা গ্রুপ নিয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা। আবার জয়নুল হক সিকদারের মালিকানাধীন সিকদার গ্রুপ নিয়েছে ১ হাজার ৫৭ কোটি টাকা। বর্তমানে এই ঋণের পুরোটাই খেলাপি।


অর্থনীতিবিদদের মতে, এ ধরনের ঋণ পুরো আর্থিক খাতকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। জানতে চাইলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী শনিবার যুগান্তরকে বলেন, এ ধরনের ঋণ দেশের অর্থনীতির জন্য দুঃসংবাদ। কারণ, এই বেনামি ঋণের ফলে পুরো ব্যাংক খাত ঝুঁকিতে পড়েছে। আর্থিক খাত নিয়ে গ্রাহকের আস্থাহীনতা বেড়েছে।


তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে ঋণখেলাপির অনেক তথ্য বেড়িয়েছে। কিন্তু সালমান এফ রহমানের এই তথ্য প্রকাশ হয়নি। এমনকি সংসদে অর্থমন্ত্রী ঋণখেলাপির যে তথ্য দিয়েছেন, সেখানেও এ ধরনের ঋণখেলাপির তথ্য নেই। এর কারণ, সালমান এফ রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম নীতিনির্ধারক ছিলেন। ফলে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাননি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও