বিশ্ব যা পেরেছে, বাংলাদেশ কি পারবে নাকি বাড়বে সংকট?

ঢাকা পোষ্ট প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৯

‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঁচটি সংকটাপন্ন ব্যাংককে একীভূত করাই শেষ কথা নয়; বরং এখান থেকেই শুরু হবে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। নতুন ব্যাংকের সফলতা নির্ভর করবে কত দ্রুত খেলাপি ঋণ উদ্ধার করা যায়, গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনা যায় এবং অতীতের অনিয়ম থেকে বেরিয়ে একটি পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়— তার ওপর।


বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতাও বলছে, একীভূতকরণ কখনোই একক সমাধান নয়; এটি একটি বৃহত্তর সংস্কার কর্মসূচির অংশমাত্র।


বিশ্ব যা করেছে


ব্যাংক একীভূতকরণ নতুন কোনো ধারণা নয়। আর্থিক সংকট মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন সময় এই কৌশল ব্যবহার করেছে। তবে, প্রায় সব ক্ষেত্রেই একীভূতকরণের পাশাপাশি কঠোর সংস্কার, দুর্বল ঋণ ব্যবস্থাপনা, সুশাসন এবং নিয়ন্ত্রক তদারকি জোরদার করা হয়েছে।


১৯৯৭ সালের এশীয় আর্থিক সংকটের পর মালয়েশিয়া ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের পুনর্গঠন শুরু করে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একীভূত করে মাত্র ১০টি শক্তিশালী ‘অ্যাঙ্কর ব্যাংক’ গড়ে তোলে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনার জন্য গঠন করা হয় পৃথক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (এএমসি)। রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে কঠোর তদারকি এবং দ্রুত ঋণ পুনরুদ্ধারই ছিল সেই সংস্কারের মূল ভিত্তি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও