ভূমিকম্পের প্রস্তুতিতে ঘাটতি, ত্রুটিপূর্ণ ভবনে ঝুঁকিতে ঢাকা

ডেইলি স্টার ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রকাশিত: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:১০

নির্মাণে ত্রুটি, পর্যাপ্ত তদারকি না থাকা এবং জরাজীর্ণ ভবনের কারণে বড় কোনো ভূমিকম্প হলে ঢাকায় ভবনধস ও ব্যাপক প্রাণহানির প্রবল শঙ্কার ব্যাপারে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।


তাদের মতে, বাংলাদেশে পুরোনো অনেক ভবনই ভূমিকম্প সহনশীল করে নকশা করা হয়নি। এগুলো তৈরির সময় বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) পুরোপুরি মানা হয়নি।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্বল রডের ব্যবহার, বিম ও কলামের দুর্বল সংযোগ এবং মানহীন নির্মাণসামগ্রীর কারণে অনেক ভবনই ঝুঁকিতে রয়েছে। ভূমিকম্পের সময় ভবনের দুর্বল অংশগুলোই সবার আগে ভেঙে পড়ে। এর ফলে একটি ভবন আংশিক বা পুরোপুরি ধসে যেতে পারে।


বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের আওতায় করা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) এক গবেষণায় বলা হয়েছে, টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টলাইনে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে ঢাকায় প্রায় ৮ লাখ ৬৫ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই ভূমিকম্প যদি দিনের বেলা আঘাত হানে, তবে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার মানুষ নিহত এবং আরও ২ লাখ ২৯ হাজার মানুষ আহত হতে পারে।


২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়িত সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির (সিডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পাঁচটি বড় ফল্টলাইনের কাছাকাছি অবস্থিত। এগুলো হলো—মধুপুর ফল্ট, ডাউকি ফল্ট এবং প্লেট বাউন্ডারি ফল্ট ১, ২ ও ৩। এসব ফল্টলাইনে ৭ থেকে ৮ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


এত ঝুঁকি থাকার পরও ঢাকায় ভূমিকম্পের প্রস্তুতি একেবারেই অপর্যাপ্ত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা এর জন্য অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ভবন নির্মাণ বিধিমালার দুর্বল প্রয়োগ এবং জলাভূমি ভরাট করে ভবন নির্মাণকাজকে দায়ী করেছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও