You have reached your daily news limit

Please log in to continue


গণ-অভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ নেই

২০২৪-এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সারা দেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আন্দোলনের স্মৃতি ও তাৎপর্য স্মরণ করা হচ্ছে। ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা এ গণ-অভ্যুত্থান দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে বিবেচিত। অভ্যুত্থানে তরুণ সমাজের সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেম এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। নানা বাধা ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সাধারণ মানুষও এক কাতারে দাঁড়িয়েছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রমাণ করে, জনগণের ঐক্য ও প্রচেষ্টার কাছে যে কোনো অশুভ শক্তি পরাজিত হতে বাধ্য।

অশুভ শক্তির পরাজয়ের পর থেকেই দেশি-বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল গণ-অভ্যুত্থানে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আন্দোলন দমনে ‘স্নাইপার’ ব্যবহারের অভিযোগ অন্যতম। এ বিষয়ে কারও কারও বক্তব্য, দাবি ও প্রতিদাবি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, টকশো এবং রাজনৈতিক বক্তব্যে এ নিয়ে ভিন্নমুখী মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে এসব দাবির অনেকগুলোর বিষয়ে স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে আসল তথ্য উন্মোচন করা হয়নি। এমন সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হলে যাচাই করা তথ্য, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নথি বা স্বীকৃত তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করা জরুরি। গুজব, অসমর্থিত তথ্য বা রাজনৈতিক বক্তব্যকে প্রমাণিত সত্য হিসাবে প্রচার করলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবেই। অশুভ শক্তির মূল উদ্দেশ্যও তাই। বিতর্ক সৃষ্টি করে যে কোনো উপায়ে নিজেদের অপরাধ লঘু করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবেই। এ ক্ষেত্রে তথ্যভিত্তিক আলোচনা, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়িত্বশীল মতপ্রকাশ যে কোনো বিভ্রান্তি দূর করার অন্যতম শর্ত এবং এ শর্ত পূরণের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরই বর্তায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন