এনবিআরের রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা প্রতি বছর বাড়ে, অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের নয়
ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব। বর্তমানে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করছেন। সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জেসের (এসএএফই) চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের এনবিআর সংস্কারের জন্য গঠিত পরামর্শক কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলেন। বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটের নানা দিক নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেন বণিক বার্তায়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাবিদিন ইব্রাহিম
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট সংসদে পাস হলো। এর মধ্যে রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব পুরোপুরি আদায়ে আমাদের ব্যর্থতা একেবারেই নতুন নয়। এ লক্ষ্যমাত্রা কতটা বাস্তবসম্মত মনে হয়?
লক্ষ্যমাত্রা তো লক্ষ্যমাত্রাই। এর হিসাবটাও সরল। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল ব্যয়ের বাজেট। সচরাচর বাজেটের সুনির্দিষ্ট অংশকে ঘাটতি হিসেবে দেখানো হয়। আর বাকি অংশ রাজস্ব। এবারের বাজেটে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ ঘাটতি দেখানো হয়েছে। এ হিসাব দেখিয়েই প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৫ শতাংশ দেখানো হয়েছে। বাজেটের এ প্রাক্কলন কতটা বাস্তবসম্মত বা গ্রহণযোগ্য হয়েছে তার জন্য আরো অপেক্ষা করতে হবে। বাস্তবায়ন শুরু হলে বোঝা যাবে প্রাক্কলন বেশি না কম, বাস্তবিক না অসম্ভব। ব্যয়ের বিপরীতে আয় করতে হয়। আয় না হলে ঋণ করতে হয়। এজন্য রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ব্যয়ের ওপর নির্ভর করবে।