৭ বছর ধরে বন্ধ চোখের অস্ত্রোপচার, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি

জাগো নিউজ ২৪ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২৬, ০৯:১৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। নামমাত্র খরচে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার আশায় প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত রোগী ছুটে আসেন এই হাসপাতালে। একসময় এই হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে নামমাত্র খরচে চোখের জটিল অস্ত্রোপচার করা যেত। কিন্তু দীর্ঘ সাত বছর ধরে এখানে সব ধরনের অস্ত্রোপচার সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এতে একদিকে যেমন গরিব রোগীরা অন্ধত্বের ঝুঁকিতে পড়ছেন, অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে অপারেশন থিয়েটারে পড়ে থাকা কোটি টাকার মূল্যবান যন্ত্রপাতি।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৮ সালে ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার’ প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের চক্ষু বিভাগকে আধুনিকায়ন করা হয়। একটি বিদেশি দাতা সংস্থার সহায়তায় এখানে স্থাপন করা হয় কোটি টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক সব চিকিৎসা সরঞ্জাম। এর মাধ্যমে হাসপাতালে চোখের ছানি অপারেশন, চশমাজনিত সমস্যা দূরীকরণ, ওপিডি ম্যানেজমেন্ট, লেজার চিকিৎসা এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি রোগ নির্ণয়সহ চোখের প্রায় সব ধরনের আধুনিক চিকিৎসা দেওয়া হতো। চক্ষু বিভাগে সপ্তাহে দুদিন করে প্রতি মাসে গড়ে দুই শতাধিক রোগীর সফল অস্ত্রোপচার করা হতো।


তবে হাসপাতালের এই সোনালি দিন থমকে যায় ২০১৯ সালে। ওই বছর চক্ষু বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. ইয়ামলী খান পদোন্নতি পেয়ে বদলি হয়ে যান। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে হাসপাতালে চোখের অপারেশন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি মাঝে টানা তিন বছর এই বিভাগের সাধারণ চিকিৎসাসেবাও সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও