You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিশ্ব সমুদ্র দিবস: সম্ভাবনা ও নীল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

প্রতি বছর ৮ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব সমুদ্র দিবস। জাতিসংঘ ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটি স্বীকৃতি দেয়, যদিও এর ধারণাগত সূচনা আরও আগে—১৯৯২ সালের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনে। সেখানেই প্রথমবারের মতো সমুদ্রকে বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়নের কেন্দ্রীয় উপাদান হিসেবে বিবেচনা করার দাবি জোরালো হয়। সেই থেকে দিনটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক স্মরণ নয়, বরং মানবসভ্যতার অস্তিত্ব, অর্থনীতি ও পরিবেশের সঙ্গে সমুদ্রের গভীর সম্পর্ককে নতুন করে ভাবার একটি বৈশ্বিক আহ্বান।

সমুদ্র শুধু জলরাশি নয়; এটি পৃথিবীর ফুসফুস, জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক, জীববৈচিত্র্যের আধার এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রধান পথ। পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশই সমুদ্র দ্বারা আচ্ছাদিত। বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, বৈশ্বিক অক্সিজেনের অন্তত ৫০ শতাংশের বেশি আসে সামুদ্রিক উদ্ভিদ প্ল্যাঙ্কটন থেকে। অথচ এই বিশাল সম্পদ আজ দূষণ, অতিরিক্ত আহরণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও অদূরদর্শী উন্নয়ননীতির কারণে মারাত্মক হুমকির মুখে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন