স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য ‘বিভ্রান্তিকর’, হামে মৃত্যু আসলে কত?
হাম ও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর যে তথ্য প্রতিদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দিচ্ছে, তাতে সঠিক চিত্র উঠে আসছে? এ প্রশ্ন আর আলোচনার মধ্যেই মোট মৃত্যু ছাড়িয়ে গেছে ছয়শ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ‘নিশ্চিত’ হামের চেয়ে ‘সন্দেহজনক’ হামে মৃত্যু পাঁচ গুণের বেশি।
সরকারের তরফে ‘সন্দেহজনক’ হামে মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে, তাকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাহলে হামে কত শিশু মারা গেছে? এ প্রশ্ন যখন সামনে আসছে, তখন উত্তর পেতে মৃত্যুর কারণ পর্যালোচনা বা ডেথ রিভিউ করার বিষয়ে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানুয়ারিতে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ রোগে মৃত্যু, আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ ও সংরক্ষণ শুরু করে।
সে দিন থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারাদেশে ৯ হাজার ২৬০ জন আক্রান্তের তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, তাদের বুলেটিন অনুযায়ী, এ সময়ে আক্রান্তদের মধ্যে ৯১ জন মারা গেছে, এ রোগের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫১৪ জন।
এর আগে গত ২০ বছরে হামে এতো আক্রান্ত দেখেনি বাংলাদেশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুসারে, ২০০৫ সালে ২৫ হাজারের বেশি শিশু রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছিল। এরপর আর এত বেশি শিশু কোনো বছরই আক্রান্ত হয়নি।