এক দশকের বেশি সময় ধরে সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্য হিসেবে আলোচনায় থাকা ওষুধ থেকে বিদেশি মুদ্রা আয়ের পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ছে। চলতি অর্থবছরেও সে ধারা বজায় রয়েছে; এখন পর্যন্ত আয় এসেছে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি ডলার।
বিশ্বজুড়ে বাজার বাড়ার পাশাপাশি ওষুধ বিক্রি থেকে আয়ের পরিমাণও বেড়েছে। দেড় দশক আগে এ খাত থেকে যে আয় হত এখন তা পাঁচগুণ বেড়েছে।
ওষুধ খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওষুধ উৎপাদন ও রপ্তানিতে সাফল্য থাকলেও কাঁচামাল সরবরাহের ব্যবস্থা এখনও দুর্বল। এ সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় উন্নতি করতে পারলে তৈরি পোশাকের পর ওষুধ শিল্প দ্বিতীয় বৃহৎ রপ্তানি পণ্য খাত হয়ে উঠতে পারে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১০-১১ অর্থবছরে ওষুধ রপ্তানি করে ৪ কোটি ৪২ লাখ ডলার আয় করেছিল বাংলাদেশ। ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে ১৫ বছরের ব্যবধানে পাঁচ গুণের বেশি বেড়ে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা ২১ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার ডলারে ওঠে।
ওষুধ রপ্তানি করে ২০১০-১১ অর্থবছরের পর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতি অর্থবছরেই টানা আয় বেড়েছে। মাঝে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সামান্য কমলেও পরের অর্থবছর থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে।