জাতীয়তাবাদী চেতনার ভেতরে ও বাইরে মৃত্যুঞ্জয়ী জিয়া

জাগো নিউজ ২৪ ড. মো. ফখরুল ইসলাম প্রকাশিত: ৩০ মে ২০২৬, ১২:৫০

আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু অকুতোভয় মহান দেশপ্রেমিক মানুষ আছেন, যাঁরা জীবন ও মৃত্যু দলীয় সীমানা ছাড়িয়ে জাতীয় স্মৃতির অংশ হয়ে গেছেন। তাঁরা কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা নন, শুধু কোনো রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিই নন, বরং সময়ের প্রবাহে তাঁরা জাতির চেতনার ভেতরে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান হলেন সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে বিতর্ক আছে, তাঁর শাসনামল নিয়ে সমালোচনা আছে, তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ আছে, তবুও তাঁকে অস্বীকার করা যায় না। কারণ, তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, জাতীয় পরিচয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনমনের এক গভীর বাস্তবতা হিসেবে ইতিহাসে ঠাঁই করে নিয়েছেন। আজ ৩০ মে, শনিবার ২০২৬। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। আমাদের জাতীয় জীবনে দিনটি খুবই শোকাবহ। ১৯৮১ সালের ৩০ মে’র এই কালরাতে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে ঘুমন্ত অবস্থায় দেশি-বিদেশি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের ক্রীড়নক কিছু বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন জিয়াউর রহমান ।


শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন আবার সামনে চলে আসে। কেন একজন নেতা মৃত্যুর ৪৫ বছর পরও এত আলোচিত? কেন তাঁর নাম এখনও রাজনৈতিক আবেগ, বিতর্ক, সংগ্রাম ও স্মৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে? কেন তাঁকে ঘিরে এখনও মানুষের মধ্যে এমন তীব্র অনুভূতি কাজ করে? এর উত্তর খুঁজতে হলে কেবল জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভেতরে তাকালে হবে না; বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বাস্তবতার গভীরে প্রবেশ করতে হবে।


১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রামের সংঘটিত হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর ট্র্যাজেডি। একজন মুক্তিযোদ্ধা, সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির মৃত্যু শুধু একটি ব্যক্তির মৃত্যু ছিল না, বরং তা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় এক বড় ধাক্কা। কিন্তু ইতিহাসের অদ্ভুত বাস্তবতা হলো, জিয়াউর রহমান মৃত্যুর পরও রাজনৈতিকভাবে হারিয়ে যাননি। বরং তাঁর অনুপস্থিতিই তাঁকে আরও বেশি উপস্থিত করেছে। এখানেই মৃত্যুঞ্জয়ী জিয়া শব্দটির রাজনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য।


জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চেতনার ভেতরে জিয়ার অবস্থান অনন্য। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি আজও বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি। যে দলটি এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। তাঁর সুযোগ্য জ্যেষ্ঠ সন্তান, বগুড়ায় জিয়াউর রহমানের পৈত্রিক ভিটা নিভৃতপল্লী বাগবাড়ির ভূমিপুত্র বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বর্তমানে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ। বিএনপির রাজনীতি, সংগঠন, আদর্শ, এমনকি আবেগের কেন্দ্রেও রয়েছেন জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বনির্ভর বাংলাদেশ কিংবা জাতীয় সার্বভৌমত্ব, এসব রাজনৈতিক স্লোগানের পেছনে তাঁর চিন্তার ছাপ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।


কিন্তু তাঁর প্রভাব কেবল বিএনপির ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের বহু মানুষ, যারা সক্রিয়ভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁর কিছু বৈশিষ্টিকে এখনও সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করেন। বিশেষ করে তাঁর ব্যক্তিগত সাহস, রাষ্ট্র পরিচালনায় কর্মচাঞ্চল্য, গ্রামমুখী উন্নয়ন চিন্তা এবং রাজনৈতিক বাস্তববাদ তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান দিয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও