পারিবারিক সহিংসতা: মেনে নিতে নিতে মরছে নারী

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৪৭

শারমিন আক্তার। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে, অমানবিক নির্যাতন—সব মেনে নিয়ে সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে স্বামী ফোরকান মোল্লার সঙ্গেই থাকতে চেয়েছিলেন। বাঁচাতে চেয়েছিলেন সংসার। কিন্তু সেই চাওয়ার মূল্য তাঁকে চুকাতে হয়েছে জীবন দিয়ে। গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে ৮ মে দিবাগত গভীর রাতে গৃহবধূ শারমিন খুন হয়েছেন তিন সন্তান, এক ভাইসহ।


শারমিনের মতো অনেক নারীই সংসার বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন স্বামীর হাতে। নারীরা সংসারের মতো নিজ পরিবারকেও নিরাপদ আশ্রয় ভাবেন। অথচ তা-ও আর নিরাপদ নেই। পরিবারের সদস্যদের হাতেও খুন হচ্ছেন নারীরা। একটি মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে স্বামী, স্বামীর পরিবার ও নিজ পরিবারের সদস্যদের হাতে হত্যার শিকার হয়েছেন ১ হাজার ৫৬৫ জন নারী। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এই সংখ্যা কেবল নথিভুক্ত ঘটনার হিসাব। বাস্তবে পারিবারিক সহিংসতা ও হত্যার সংখ্যা আরও বেশি।

সমাজবিজ্ঞানী, অপরাধবিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীদের মতে, পারিবারিক সহিংসতার কারণে যে নারীরা হত্যার শিকার হচ্ছেন, এগুলো হঠাৎ ঘটা কোনো হত্যাকাণ্ড নয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী নারীকে দীর্ঘদিন ধরে সাংসারিক তিক্ততা এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। নিজের আশ্রয়ের নিশ্চয়তা না থাকায় বাধ্য হয়ে বেশির ভাগ নারী এই নির্যাতন সহ্য করেন। একপর্যায়ে তাঁর জীবন যায়।


কাপাসিয়ায় নিহত শারমিনও ছয়-সাত মাস আগে স্বামীর মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। তারপরও স্বজনদের জানিয়েছিলেন, স্বামীর সঙ্গেই থাকতে চান। এই পাঁচ খুনের মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার মরদেহ ১৬ মে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক ফোরকান পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও