You have reached your daily news limit

Please log in to continue


প্রবাসী আয়ের উৎসে উত্থান-পতন, কারণ কী?

সঙ্কটে থাকা দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরানো রেমিটেন্সের সুবাতাসের মধ্যে ওলটপালট হয়েছে উৎসে। আগের অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল যে দেশ থেকে সেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী আয়ে ধস নেমেছে চলতি অর্থবছরের ১০ মাস না যেতেই। আর তালিকার চতুর্থ স্থানে থাকা যুক্তরাজ্য থেকে বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

দেশের রেমিটেন্স আসার অন্যতম প্রধান উৎস পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর তালিকাতেও অবস্থান বদল হয়েছে। দুই নম্বর স্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতকে টপকে শীর্ষে উঠে এসেছে আগের অর্থবছরে তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা সৌদি আরব। একই সঙ্গে দেশটি পেছনে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্রকেও; যেটি নেমে গেছে তালিকার পঞ্চম স্থানে।

অপরদিকে যুক্তরাজ্য থেকে বেশি আসতে শুরু করেছে রেমিটেন্স; এতে আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রকে ডিঙিয়ে দ্বিতীয় স্থানে চলে এসেছে দেশটি। আর শীর্ষ পাঁচের তালিকায় মালয়েশিয়া উঠে এসেছে চতুর্থ স্থানে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল সময়ে টানা বাড়তে থাকা রেমিটেন্সের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে এ চিত্র। তবে আগের দুই অর্থবছরের পুরো সময়ে বেশি রেমিটেন্স পাঠানো শীর্ষ পাঁচে কোনো বদল হয়নি।

এ বিষয়ে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক সভাপতি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গত দুই অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র ও আরব আমিরাত থেকে প্রবাসী আয় বেড়ে যাওয়া মানে দেশগুলো থেকে প্রকৃত প্রবাসী আয় বেড়েছে, হয়ত তেমন নয়। অন্যান্য দেশের আয়ও প্রবাসী আয় প্রেরণকারী বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর হাত ঘুরে যুক্তরাষ্ট্র বা আমিরাত থেকে এসেছে। সে কারণে পরিসংখ্যানে ওই দুই দেশ থেকে প্রবাসী আয়ে বড় প্রবৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন