ভিক্ষুক-বাস্তুহীন ছাড়া করের কোপে সবাই!

কালের কণ্ঠ প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:০০

কেউ যদি উত্তরাধিকারসূত্রে বাবার কাছ থেকে এক টাকা মূল্যের সম্পদও পান, ওই সম্পদেরও কর দিতে হবে। আর এই আইন হতে যাচ্ছে আসছে বাজেটে। এটি বাস্তবায়িত হলে পথের ভিখারি আর বাস্তুহীন ছাড়া যিনি এই সম্পদের অধিকারী হবেন, তাঁকেই কর দিতে হবে। তবে ভিক্ষুকও যদি বাবার উত্তরাধিকারী হিসেবে অন্তত এক টাকার বেশি সম্পদ পান, ভিক্ষুক হলেও তিনিও মাফ পাবেন না; তাঁকেও দিতে হবে কর।

এ ছাড়া কৃষক-শ্রমিক কিংবা দিনমজুর—কেউই মাফ পাবেন না, যদি তাঁরাও উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পদ পান। তাঁদেরও দিতে হবে কর। বলা যায়, এই আইনের মাধ্যমে গণহারে করের খড়্গ চাপানোর পথে হাঁটছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এমন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে সংস্থাটি।

এনবিআর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।


উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। নিকটাত্মীয় ও দূরসম্পর্কের আত্মীয়। দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, নিকটাত্মীয় বলতে বোঝাবে মা, বাবা, আপন ভাই বা বোনের কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্পদ।

অন্যদিকে এর বাইরে যেকোনো ব্যক্তির কাছ থেকে সম্পদ পেলে তা দূরসম্পর্কের আত্মীয় বলে বিবেচিত হবে। নিকটাত্মীয় হলে প্রাপ্ত সম্পদের ১ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর নির্ধারণ করা হতে পারে। অন্যদিকে দূরসম্পর্কের আত্মীয় হলে এই হার ৩ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।


তবে এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য একটি সীমা নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি। উত্তরাধিকারসূত্রে যেকোনো ধরনের প্রাপ্তির পরিমাণ এক টাকার নিচে হলে সেই টাকার ওপর কোনো কর দিতে হবে না।

তবে টাকার পরিমাণ এক টাকা হলেই দিতে হবে কর। এই পরিমাণ যত বাড়তে থাকবে, করের পরিমাণও তত বাড়বে।


জানা গেছে, নিকটাত্মীয়ের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার কর এক টাকা থেকে শুরু করে এক কোটি টাকার ওপর ১ শতাংশ। পরবর্তী পাঁচ কোটি টাকায় ২ শতাংশ। সেই হিসাবে ছয় কোটি টাকায় ২ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। এরপর আরো পাঁচ কোটি টাকার ওপর (মোট ১১ কোটি টাকা হলে) ৩ শতাংশ কর দিতে হবে। এর চেয়ে বেশি যেকোনো পরিমাণ টাকার সমমূল্যের সম্পদ উত্তরাধিকারসূত্রে পেলে সেই টাকার ওপর ৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও