You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মধ্যপ্রাচ্যে ‘সিসিফাসের ফাঁদে’ যুক্তরাষ্ট্র, তবু ইরান যুদ্ধে কেন নেপথ্যে খেলোয়াড় চীন

চীনের দীর্ঘদিনের মিত্র ইরান। কিন্তু দেশটির বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরু পর প্রথম দিকে চীন তুলনামূলক নীরব ছিল। ইসরায়েলি-মার্কিন হামলায় ইরানে বর্ষীয়ান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হলে বেইজিং সাধারণ শোকবার্তা দিয়েছে। উত্তরসূরি হিসেবে ছেলে মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল জানায় যে তারা ‘সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলো লক্ষ্য করেছে।’

ইরান সংকটে তীক্ষ্ণ নজর রাখা বেইজিং নিজেকে শান্তি স্থাপনকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তবে যে অঞ্চলে সামরিক প্রভাব সামান্য, সেই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ থেকে দূরত্বও বজায় রাখছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সতর্ক প্রচেষ্টা চীনের সূক্ষ্ম কূটনীতিকেই স্পষ্ট করে। তারা যেমন ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো উত্তেজনা এড়াতে চায়, তেমনি নিজেকে একটি দায়িত্বশীল পরাশক্তি হিসেবেও উপস্থাপন করতে আগ্রহী।

বেইজিংয়ের জন্য অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংক্রান্ত উদ্বেগগুলোই মুখ্য। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেখানে যুদ্ধ বাধিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ঝুঁকিতে ফেলছেন, সেখানে জড়িয়ে পড়ার খুব একটা আগ্রহ নেই চীনের। কারণ, এই যুদ্ধ বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত করেছে এবং তেলের দাম আকাশচুম্বী করেছে।

তা সত্ত্বেও এই সপ্তাহে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধের কড়া সমালোচনা করতে ছাড়েনি চীন। দেশটি এটিকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছে। মঙ্গলবার চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘এটি কেবল সংঘাতকে উসকে দেবে, উত্তেজনা বাড়াবে, ইতিমধ্যে ভঙ্গুর হয়ে পড়া যুদ্ধবিরতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপদ যাতায়াতকে আরও বিপন্ন করবে। চীন বিশ্বাস করে যে কেবল পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিই পরিস্থিতি শান্ত করার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন