বিবিসির প্রতিবেদন: বাংলাদেশে হঠাৎ কেন হামের প্রাদুর্ভাব

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৩

বাংলাদেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া হাম প্রাদুর্ভাবের কারণে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিই সম্ভবত সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঢেউ, যেখানে ১০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে—যাদের বেশির ভাগই শিশু।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি এমন সময় নেওয়া হয়েছে, যখন ১৫ মার্চের পর থেকে দেশে সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৫০০ ছাড়িয়েছে। এরই মধ্যে ৯০০ টিরও বেশি সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এটি একটি বড় বৃদ্ধি। কারণ, ২০২৫ সালে পুরো বছরে হাম রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১২৫।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের এই অত্যন্ত সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া হলেও সাম্প্রতিক এই প্রাদুর্ভাব টিকাদান কর্মসূচির ফাঁকফোকরগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত রোববার এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, ‘শিশুদের বেঁচে থাকার ভিত্তি হলো টিকা।’ তিনি বলেন, বর্তমান হাম প্রাদুর্ভাব ‘হাজার হাজার শিশুকে, বিশেষ করে সবচেয়ে ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণদের, গুরুতর ঝুঁকির মুখে ফেলছে।’


হাম কেন হঠাৎ বাংলাদেশে বেড়ে গেল


প্রায় ১৭ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের নয় মাস বয়স থেকেই হাম টিকা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ বিবিসি বাংলাকে জানান, সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বয়স নয় মাসের নিচে।


ইউনিসেফের রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, এই অল্পবয়সী শিশুদের সংক্রমণ ‘বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।’ কারণ তারা এখনো নিয়মিত টিকা পাওয়ার উপযুক্ত বয়সে পৌঁছায়নি। নিয়মিত টিকাদানের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রতি চার বছর অন্তর বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে।


কিন্তু এসব কর্মসূচি পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, ২০২০ সালের পর থেকে কোনো বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচি হয়নি—প্রথমে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে, পরে ‘রাজনৈতিক পরিস্থিতির’ কারণে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও