স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত লাখো মানুষ নিরাপদে কেমোথেরাপি এড়াতে পারেন, কারণ বিজ্ঞানীরা এমন একটি ডিএনএ পরীক্ষা উদ্ভাবন করেছেন যা নির্ধারণ করতে পারে কোন রোগীরা এই চিকিৎসা থেকে উপকৃত হবেন এবং কারা হবেন না, একটি গবেষণার ফলাফলে এমনটাই বলা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক এই গবেষণায় দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষকে কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করে শুধু হরমোন থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।
কেমোথেরাপির কারণে ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, চুল পড়ে যাওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়া এবং প্রজনন সম্পর্কিত সমস্যা হতে পারে।