সংঘাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে বিশ্বব্যাপী বাড়ছে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা

বণিক বার্তা ড. সেলিম জাহান প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৬

মানুষের স্থানান্তরের ঘটনাকে সাধারণত আন্তর্জাতিক অভিবাসন হিসেবে দেখা হয়—অর্থাৎ এক দেশ ছেড়ে অন্য দেশে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে যাওয়া। কিন্তু মানুষ তাদের নিজের দেশের ভেতরেও এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে বাধ্য হয়।


এ প্রক্রিয়ায় তারা তাদের শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যাকে বলা হয় অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতি। অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ হলো তারা যারা সংঘাত, সহিংসতা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। প্রতি বছর আরো বেশিসংখ্যক মানুষ পালিয়ে যাওয়ায় পৃথিবীতে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। প্রতি বছরের এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরো মানুষ, যারা বহু বছর বা এমনকি দশক ধরে বাস্তুচ্যুত অবস্থায় বসবাস করছেন এবং এখনো তাদের অবস্থার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।


অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির পেছনে প্রধান দুটি কারণ হলো সংঘাত-সহিংসতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ২০২৪ সালের শেষে বিশ্বজুড়ে ৮৩ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নিজ দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুত ছিল। এর মধ্যে ৭৪ মিলিয়ন মানুষ সংঘাত ও সহিংসতার কারণে এবং ৯ মিলিয়ন মানুষ দুর্যোগের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এ সংখ্যা ২০১৫ সালে ছিল ৪১ মিলিয়ন, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে নজিরবিহীন ৮৩ মিলিয়নে। শুধু ২০২৪ সালের অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির দিকে তাকালে দেখা যায়, ওই বছর বিশ্বজুড়ে মোট ৬৬ মিলিয়ন অভ্যন্তরীণ স্থানান্তর নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২০ মিলিয়ন সংঘাত ও সহিংসতার কারণে এবং ৪৬ মিলিয়ন দুর্যোগের কারণে ঘটেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও