ফ্যাসিস্ট আমলে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি স্টার জাতীয় সংসদ ভবন প্রকাশিত: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:২২

দুর্নীতি, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। 


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে আগের ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনামলে সংঘটিত অর্থপাচার ও দুর্নীতি তদন্তে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।’


‘অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন করে মোট ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়েছে। এই পাচার হওয়া অর্থ বিভিন্ন দেশে স্থানান্তরিত হয়েছে বলে অভিযোগ থাকায় তা পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে,’ বলেন তিনি।


তারেক রহমান বলেন, ‘এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অর্থপাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশকে (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং-চীন) চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি (এমএলএটি) সই হয়েছে। বাকি ৭টি দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’


বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্স চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও