ঈদের বাসে যাত্রী খরা
মাত্র নয় জন যাত্রী নিয়ে মহাখাল বাস টার্মিনাল থেকে বিকেল সাড়ে ৪টায় বের হল সোনার বাংলা পরিবহনের বাসটি; গন্তব্য শেরপুর।
কিন্তু যাত্রী না থাকায় বাস ছাড়তে চালকের একরকম অনীহা দেখা গেল। বাসটি খুব ধীরে ধীরে এগিয়ে এক্সপ্রেসওয়ের মুখে দাঁড়াল। সেখানে হেলপার আবার যাত্রী ডাকাডাকি শুরু করলেন।
সেখানে থাকা পুলিশের দুজন সদস্য একরকম দৌড়ে গিয়ে বাসটিকে চলে যেতে তাড়া দিলেন। বাসের হেলপার বলতে থাকলেন, “স্যার নয়টা মাত্র প্যাসেঞ্জার, ওইদিকে আর পামু না।”
এ নিয়ে আধা মিনিট কথা-পাল্টা কথা চললো। এরপর ট্রাফিক সার্জেন্ট এসে মোবাইল ফোন বের করে ছবি তুলতে উদ্যত হলে সামনে এগোতে শুরু করল গাড়ি।
মঙ্গলবার বিকেলে মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেল ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী বিভিন্ন পরিবহনে যাত্রী নেই। কোনো কোনো বাসে অর্ধেকের বেশি সিট খালি।
চালকরা খালি নিয়ে যেতে চান না। তবে যানজট হওয়ার শঙ্কায় পুলিশ রীতিমতো তাদের খেদিয়ে মহাখালী এলাকার বাইরে নিয়ে যাচ্ছিল।
রাজীব এন্টারপ্রাইজ বাসটি যাবে জামালপুর। কন্ডাক্টর বেলাল হোসেন বললেন, “এত কষ্ট কইরা মহাখালী বাস লাগাইলাম, এহন যাত্রী পাইছি ১৩টা। এই যাত্রী নিয়া গেলে ঈদের বাজারে পুষব?”
সামনে দিয়ে নেত্রকোণাগামী ভাটি বাংলা পরিবহনের একটি বাস প্রায় ফাঁকা অবস্থায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেল।