সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ আশঙ্কার কথা এসেছিল কয়েকজন বিএনপির প্রার্থীর তরফে।
সে সময় তাদের বিপক্ষ দল জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে আশঙ্কার কথা বলা হয়; তার পাল্টায় জামায়াতও একই আশঙ্কার কথা বলেছিল।
নির্বাচনের পর জামায়াত এবং তার জোটের দুই শরিক এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে জোরেশারেই ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ অভিযোগ তোলা হল।
তারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরদ্ধে এই অভিযোগ তোলার পাশাপাশি দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
বিরোধী শিবিরের এই অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি সরকার ও দলের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য আসেনি।
বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশন বসছে, তার আগে জামায়াত ও তার মিত্ররা কেন এই অভিযোগ তুলছে? সরকারই বা কেন চুপ?
জামায়াত, এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কয়েকজন নেতা বলেছেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ অভিযোগ, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদে ও সংসদের বাইরে রাজপথে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবেন তারা।