You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ঈদের আগে ঘর পরিষ্কারে ভাগ পদ্ধতি

ঈদ সামনে এলেই ঘর পরিষ্কার করার চিন্তা ভর করে। রোজা রেখে আলমারি গোছানো, রান্নাঘর পরিষ্কার, ড্রইংরুম ঝাড়পোঁছ, পর্দা ধোয়া সব মিলিয়ে কাজ যেন শেষই হতে চায় না।

অনেক সময় কাজ শুরু করতে গিয়েই মনে হয় পুরো বাড়ি একসঙ্গে গুছানো সম্ভব নয়। ফলে কাজটা আরও কঠিন ও ক্লান্তিকর মনে হয়।

অথচ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরো বাড়ি একসঙ্গে পরিষ্কার করার চেষ্টা না করে ঈদের আগে যদি ঘরকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করা যায়, তাহলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।

একে বলা হয় ‘জোন’ বা ভাগে ভাগে কাজ করার পদ্ধতি। অর্থাৎ পুরো বাড়িকে কয়েকটি নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে প্রতিদিন একটি করে অংশ পরিষ্কার করা।

এতে কাজের চাপ কমে এবং ঘর পরিষ্কার করাও অনেক সহজ ও স্বাভাবিক মনে হয়।

যে কারণে একসঙ্গে সব পরিষ্কার করতে গেলে চাপ বাড়ে

অনেক সময় ঘর পরিষ্কার করার পরিকল্পনা করলেও, শুরু করা যায় না। কারণ চারদিকে তাকালে একসঙ্গে অনেক কাজ চোখে পড়ে।

রান্নাঘরে থালা-বাসন জমে আছে, বসার ঘরে ধুলা, আলমারিতে অগোছালো কাপড়, বাথরুম পরিষ্কার করা দরকার—সব মিলিয়ে মনে হয় কাজের কোনো শেষ নেই।

অন্দরসজ্জাবিদ গুলশান নাসরিন মনে করেন, সমস্যাটা আসলে অগোছালো ঘর নয়, বরং একসঙ্গে সব কাজ করার চেষ্টা।

তার মতে, কাজকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যায় এবং কাজ শুরু করা সহজ হয়।

তিনি বলেন, “কেউ যদি ঈদের আগে পুরো রান্নাঘর একসঙ্গে গোছাতে চায়, সেটি খুব বড় কাজ মনে হতে পারে। তবে শুধু একটি ড্রয়ার গোছানোর কথা ভাবলে কাজটি অনেক সহজ মনে হয়।”

এই ছোট ছোট কাজগুলো শেষ করতে করতে একসময় পুরো জায়গাটাই গুছিয়ে যায়।

মনের চাপ কমাতে কাজ ভাগ করার কৌশল

মানুষের মস্তিষ্ক একসঙ্গে অনেক তথ্য প্রক্রিয়াজাত করতে গেলে চাপ অনুভব করে। বাড়িকে কয়েকটি নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করলে মানসিকভাবে একটি সীমা তৈরি হয়।

তখন মনে হয়, এখন শুধু এই ছোট জায়গাটুকু নিয়েই কাজ করতে হবে। এই ধারণাই কাজ শুরু করার সাহস দেয়।

এছাড়া এই পদ্ধতি মানসিকভাবে শান্ত করে এবং কাজকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনে দেয়। ফলে ঘর পরিষ্কার করা আর চাপের কাজ মনে হয় না।

ঘরের ‘জোন’ বা অংশ যেভাবে নির্ধারণ করতে হয়

প্রথমেই পুরো বাড়িকে কয়েকটি বড় ভাগে ভাগ করতে হয়। সাধারণভাবে একটি বাড়িতে পাঁচটি প্রধান অংশ ধরা যায়।

“রান্নাঘর ও খাবার ঘর, বসার ঘর, শোবার ঘর, বাথরুম এবং প্রবেশপথ বা করিডোর”- বলেন গুলশান নাসরিন।

প্রতিটি অংশ আবার ছোট ছোট জায়গায় ভাগ করা যায়। যেমন- রান্নাঘরের মধ্যে আলমারি, রান্নার টেবিল, ফ্রিজের ভেতর, থালা রাখার জায়গা। এসব আলাদা ‘জোন’ হতে পারে।

একইভাবে বসার ঘরে টেবিল, মেঝে, সোফার পাশে রাখা তাক। এসবও আলাদা অংশ হিসেবে ধরা যায়।

এই অন্দরসজ্জাবিদ বলেন, “ঘরের যেসব জায়গার নাম সহজে বলা যায়, সেগুলো থেকেই শুরু করা ভালো। যেমন- টেবিল, মেঝে, রান্নাঘরের তাক, বাথরুমের তাক। এসব জায়গা পরিষ্কার করা সহজ এবং দ্রুত ফলও দেখা যায়।”

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন