অলিম্পিকে বাংলাদেশের পতাকা ওড়াতে চান খই খই

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১৪:০৪

‘ছোটবেলায় দূর থেকে টেবিল টেনিস খেলা দেখতে খুব মজা লাগত। মনে হতো কেউ যেন হেলেদুলে নাচছে আর খেলছে। ব্যাট হাতে যেন সেই শিল্পী হয়ে উঠছে খই খই মারমা,’ বলছিলেন টেবিল টেনিসের সাবেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ও বর্তমান কোচ মোস্তফা বিল্লাহ। শিষ্যকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জ্বলজ্বল করছিল তাঁর চোখ। রাঙামাটির মেয়ে খই খই মারমার বেড়ে ওঠাটা যে তাঁর নিজের চোখে দেখা।


২০১৮ সালে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলতে এসে প্রথম নজর কাড়েন খই খই। স্কুলের দলের সঙ্গে আসতেন, খেলে আবার দলের সঙ্গেই চলে যেতেন। আবাসিক কোয়ান্টাম স্কুলের সেটাই ছিল নিয়ম। এই স্কুলেই খই খই মারমার বড় হওয়া। দুই মেয়েকে পড়াশোনা করানোর মতো সামর্থ্য কৃষক পরিবারের ছিল না। ফলে তাদের দুই বোনকে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেখানে পড়াশোনা, থাকা–খাওয়া যেমন ফ্রি; তেমনি আছে খেলাধুলারও সুযোগ। খই খইয়ের পড়াশোনাতেই আগ্রহ ছিল, টেবিল টেনিসটা শখের বশে খেলতেন। কিন্তু সেই ব্যাট-বলই যে একসময় জীবনের অংশ হয়ে উঠবে, সেটা হয়তো তখনো ভাবতে পারেনি আট বছরের খই খই।


কোয়ান্টাম স্কুলের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলতে নিয়মিতই ঢাকা আসা হতো। উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য সেখান থেকে বাছাই করে চারজনের দায়িত্ব নেয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন। একাডেমির তত্ত্বাবধানে শুরু হয় প্রশিক্ষণ। বান্দরবান থেকে তাঁদের নিয়ে আসা হয় ঢাকার বিকেএসপিতে। একসঙ্গে চারজন আসায় বিকেএসপিতে মানিয়ে নিতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছেন কোচ আর বড় আপুরা। ‘একটা সময় মৌ আপু, সোমা আপুর খেলা দেখতাম। বিকেএসপিতে আসার পর নিয়মিত ট্রেনিংয়ে তাদের পেতাম। তারা আমাকে ছোট বোনের মতো আদর করে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও