You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নারীকে নেতৃত্বে চাইলে রাজনীতিতে অর্থ ও পেশিশক্তি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে

বাংলাদেশের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসে নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারই ধারাবাহিকতায় সবশেষ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেও তারা সম্মুখসারিতে ছিলেন। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে তারা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তাই গণঅভ্যুত্থানের পর এই সময়ে রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের মাধ্যমে যে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের কথা ছিল, তা বরাবরের মতো এবারও উপেক্ষিতই থেকেছে। সবশেষ নির্বাচনে দেখা গেছে, রাজনৈতিক দলগুলো অনেক ক্ষেত্রেই নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে অনীহা দেখিয়েছে। জুলাই সনদের আলোচনার সময় অনেক কথা হলেও, শেষ পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা খুবই কম ছিল।

রাষ্ট্র-সমাজের এই বৈষম্যের মাঝেও নারীরা মাথা নোয়াবার নয়। তারা দেশ গঠন ও সমাজে পরিবর্তন আনার চেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছেন অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেই চিত্রই দেখা গেছে। এত বাধা-বিপত্তির মুখেও বেশ কয়েকজন নারী রাজনীতির মাঠে লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাদের সবাই হয়তো নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি, কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করে গেছেন দৃষ্টান্ত। তাদের সংগ্রামের পথ ধরেই হয়তো সামনে এগিয়ে যাবেন আরও অনেক নারী।

আজ ৮ মার্চ (রোববার) আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই দিবস ঘিরে গত ৪ মার্চ দ্য ডেইলি স্টারের উদ্যোগে ‘অভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচন: রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ এবং অন্তর্ভূক্তিমূলক গণতন্ত্রের পথে যাত্রা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক আয়োজিত হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন