You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পদ্মা ব্যাংক বাঁচাতে সরকারি সব উদ্যোগই ব্যর্থ

২০১৩ সালে কার্যক্রম শুরুর মাত্র চার বছরের মধ্যেই অনিয়ম-দুর্নীতিতে মুখ থুবড়ে পড়েছিল দ্য ফারমার্স ব্যাংক। ওই সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন দেয়া এ ব্যাংকটিকে বাঁচাতে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে।

পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, নাম পরিবর্তন, মূলধন জোগান দেয়া থেকে শুরু করে নজিরবিহীন সব নীতিসহায়তা দিয়ে ব্যাংকটিকে বাঁচিয়ে রাখার সব ধরনের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কোনো উদ্যোগই সাফল্যের মুখ দেখেনি। বরং গত আট বছরে ৬ হাজার ৯৯ কোটি টাকা নিট লোকসান দিয়েছে। অথচ ব্যর্থ এ ব্যাংকটির সম্পদ ও দায়ের আকারও এত বড় নয়। আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের উদ্যোগে গড়ে ওঠা ব্যাংকটি এখন সরকার ও রাষ্ট্রের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দ্য ফারমার্স ব্যাংকের নাম পরিবর্তন করে ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি রাখা হয় ‘পদ্মা ব্যাংক’। অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, অনিয়ম-দুর্নীতিতে বিধ্বস্ত এ ব্যাংকটিকে বাঁচিয়ে রাখাটাই ছিল বড় ভুল। ওই সময় ব্যাংকটিকে অবসায়ন কিংবা একীভূত করে দিলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকারের এত বড় ক্ষতি হতো না। এখন বিলুপ্ত করতে গেলে পদ্মা ব্যাংকের বিপুল লোকসান ও মূলধন ঘাটতির বোঝা সরকারের ঘাড়ে পড়বে। আর জনগণের দেয়া করের অর্থেই সেটির জোগান দিতে হবে। তবে সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত এ ব্যাংকটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার। অন্যথায় ক্ষতি ও দায়ের পরিমাণ আরো বাড়বে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন